অ্যাডসেন্স লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অ্যাডসেন্স লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কিভাবে নতুন Youtube Channel থেকে সাফল্য লাভ করবেন

কিভাবে নতুন Youtube Channel থেকে সাফল্য লাভ করবেন

একটি নতুন ইউটিউব চ্যানেলকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া অনেক কষ্টসাধ্য ব্যাপার। প্রথমদিকে কোন ভিউ থাকে না, সাবক্রাইবারস থাকে না, চ্যানেল পপুলারিটি থাকে না। তাই এটি আরো জটিল হয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে দরকার প্রচুর ধৈর্যশক্তি ও কাজ করার ক্ষমতা। কিছু বিষয় মাথায় রেখে মেনে চললে এই কাজটার কষ্ট অনেকটা কমে যায়।

প্রথমত যা লাগবেঃ

১. Screen Video Recording Software

ভিডিও রেকর্ডিং সফটওয়্যার হিসেবে আমি Suggest করব আপনাদের Camtasia ব্যবহার করার জন্য। আমি নিজেও Personally এটা ব্যাবহার করি। Screen Video Recording সহ বেসিক লেভেলের এডিট করা যায়।
htt//goo.gl/ttnfwD এখান থেকে এর Trial ডাউনলোড করতে নিতে পারেন।

২. Video Editing Software

শুরুর দিকে এডিটিংও Camtasia দিয়েই করতে পারেন। এছাড়া এর চেয়ে ভালো এডিটিং এর জন্য Windows Movie Maker রয়েছে। Advance Editing এর জন্য Adobe Premiere Pro এবং Adobe After Effects সবচেয়ে ভালো হবে।

৩. Photo Editing Software

বিশেষ করে Thumbnail তৈরি করার জন্য একটি Photo Editing Software দরকার। Photo Editing এর জন্য Adobe Photoshop এর জুরি নেই।

৪. ক্যামেরা

ক্যামেরা থাকতেই হবে এমন কোন কথা নেই। কিন্তু ভিডিও এর আরো মান বাড়ানোর জন্য ক্যামেরা ব্যাবহার করা সবচেয়ে ভালো। একজন ভিউয়ার একটি ভিডিওতে একজন মানুষের শুধু কথার তুলনায় তার চেহেরা সহকারে বর্ণনাকে বেশি বিশ্বাস করেন। তাই এর ফলে খুব দ্রুত আপনার Subscriber ও ফলোয়ার বাড়বে।

৫. একটি ইউটিউব চ্যানেল

এরপর শুধু একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করুন। ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে আপনাদের এই ডকুমেণ্টটি সাহায্য করবে, http://bn.rubelsbs.com/archives/132 

Advance Part:

এইসব উপকরণ নেয়া হয়ে গেলে এরপর কোমর বেধে মূল কাজে নেমে পড়ুন।

আকর্ষণীয় চ্যানেলের নাম

চ্যানেলেরটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চ্যানেলের নাম ভালো না হলে আপনার চ্যানেল সেরকম কোন ভালো পর্যায়ে যাওয়ার আগেই ভেঙ্গে পড়তে পারে। সবার থেকে আলাদা নাম রাখুন। যার নামে এর আগে কোন চ্যানেল তৈরি হইনি। না পেলে সময় নিন, ধীরে সুস্থে ভাবুন। এমন চ্যানেলের নাম রাখুন যা মানুষের জন্য কিছু অর্থ রাখবে এক কথাতেই আপনার পুরো চ্যানেলের বিষয় বৈশিষ্ট্য ফুটিয়ে তুলবে।
কখনই চ্যানেলের নাম কিওয়ার্ড এর সাথে পুরোপুরি মিলিয়ে রাখবেন না। এতে আপনার তেমন কোন বেশি একটা লাভ হবে না।
আমার একটা চ্যানেল আমার নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড এর নাম দিয়ে বানানো হয়েছিল। ঐটার সাবসক্রাইবার এখন বর্তমানে 400+। এই একই কিওয়ার্ড এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে আপনার আর একটি চ্যানেলের একটি Unique নাম রেখেছিলাম। বর্তমানে সেখানে এখন 7000+ Subscriber আছে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন এটি আপনার চ্যানেলের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

অনন্য

চ্যানেলের কভার, Profile Picture, Description, Home Customization অবশ্যই উন্নত করে রাখবেন। যাতে চ্যানেলের নাম এবং এর প্রতিটি বস্তু একে অপরের সাথে সম্পূর্ণভাবে খাপ খায় এবং সুন্দর দেখায়।

প্রচুর ভিডিও

ভিউ নেই বলে থেমে যাবেন না। ভিডিও আপলোড করতে থাকুন এবং কিন্তু তা অবশ্যই ভালো মানের ভিডিও হতে হবে।

সময় নষ্ট করবেন না

ভিডিও তৈরির প্রতিটি সেকেন্ডই মূল্যবান সেকেন্ড সময়ই মূল্যবান। কখনই একটি সেকেন্ড এর জন্যও আপনার ভিউয়ারসদের বিরক্ত হতে দিবেন না। একটুখনের জন্য তারা বিরক্ত হয়ে গেলেই তারা বাউন্স করবে। বাউন্স রেট 70% এর নিচে থাকলেই তা নেগেটিভ হিসেবে ধরা হয়।

Social Media এর সঠিক ব্যাবহার

বর্তমানে আধুনিক জীবনে মানুষ Google, Youtube থেকে আরো বেশি Facebook, Twitter, Instagram ইত্যাদি সোশ্যাল মিডিয়া বেশি চালায়। তাই অবশ্যই প্রতিটি সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার ফ্যান পেজ তৈরি করুন। ঐখান থেকে আপনার চ্যানেলের ব্রান্ডিং করুন। কিন্তু অবশ্যই খেয়াল রাখবেন, এটি অ্যাডসেন্স তাই নিজের অফিশিয়াল পেজ ব্যতীত অন্য কোন জায়গায় পোস্ট দেয়া থেকে বিরত থাকুন।

ভিডিও প্রকাশ করার সঠিক সময়

একটি নির্দিষ্ট সময় চ্যানেলে ভিডিও ছাড়লে Audience এর সর্বচ্চ Engagements পাওয়া যায়। এর ফলে সাধারন ভিউ থেকে শতকরা 40%+ এর চেয়ে বেশি ভিউ পাওয়া সম্ভব।
চ্যানেলের ভিউয়ারস এর স্থান, ভাষা ও ইন্টারেস্ট এর উপর এই সময় নির্ভর করে। উদাহরণ হিসেবে আমার চ্যানেলের কথা বলি, আমার চ্যানেলের বেশিরভাগ ভিসিটর US, Canada এবং India থেকে আসে। তাই আমি আমার বেশিরভাগ ভিডিও প্রতি সাপ্তাহের রবিবার একটি ও মঙ্গলবারে আর একটি ভিডিও পাবলিশ করি এবং Extra সময় পেলে শুক্রবারে আর একটি ভিডিও ছাড়ি।
এভাবে আপনিও আপনার নির্দিষ্ট সময় নির্বাচন করে নিতে পারেন।

সঠিক ভিডিও SEO

চ্যানেলের পপুলারটির 60%+ নির্ভর করে ভিডিও এস.ই.ও এর উপর। ভিডিওতে ভালো ভিউ আনতে হলে অবশ্যই ভালো SEO করতে হবে। বাকিসব কন্টেন্ট এর কোয়ালিটির উপর নির্ভরশীল।

Thumbnails

ইউটিউব এর ভিডি দেখার আগে ভিউয়ারস তার Thumbnail দেখে বিবেচনা করে সেই ভিডি দেখে। এই Thumbnail সে সর্বচ্চ ১-২ সেকেন্ড দেখে থাকে(আমি এই সময়ই দেখি :P)। এই ১-২ সেকেন্ডে যার Thumbnail যত ভালো হয় তত ভিউ পড়ে। তাই Thumbnail যত ভালো হবে ভিউ তত বেশি পড়বে। Thumbnail বানাতে Adobe Photoshop এর সাহায্য নিতে পারেন।

Secret Tips

এখন প্রশ্ন হতে পারে যে, “রাঙ্কিং এ তো সবার শুরুতে First Viewers পেতে হয়। এই First Viewers পাব কোথা থেকে? শত SEO করেও তো পারছি না।” এর জন্য আপনাদের জন্য বিশেষ Tips। এটি হচ্ছে “COMMENTS”। অন্য একই টপিক রিলেটেড ভিডিওতে গিয়ে কমেন্ট করুন। কিন্তু আপনার ভিডিও এর লিঙ্ক দিয়ে স্প্যাম কমেন্ট নয়। মানসম্মত কমেন্ট লিখুন। যেমন Nice, Awesome, I like this video, Thank u for the tips. একটি মান সম্মত উদাহরণ এমন হতে পারে, Your video is really helpful. Hope my  videos can also help people like that. ;) কিন্ত এমনি যে লিখতে হবে এমন কোন কথা নেই। অনেকেই এমন করতে গিয়ে স্প্যাম কমেন্ট করে ফেলে। তার থেকে শুধু “Very helpful, thanks” লিখে দেয়াটাই ভালো।
এর ফলে যখন ঐ ভিডিও যখন কোন মানুষ দেখতে যাবে, তখন আপনার চ্যানেলের কমেন্ট দেখবে। অফিশিয়াল নাম এবং Profile Picture তাকে ঐ চ্যানেলে কি আছে তা দেখতে উৎসাহিত করবে। এতে আপনার নিজের বিনোদনও হবে আর কাজও হবে :P


সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

ভিডিও এর মানের উপর আর কোন ঔষুধ নেই। ভিডিও এর মান ভালো হলে একবার Top 20 ranking এ আসতে পারলে ইনশাল্লাহ উপরে উঠতে আপনাকে কেউ থামাতে পারবে না।
বাড়িয়ে নিন ADSENSE-এর Earning

বাড়িয়ে নিন ADSENSE-এর Earning

এডসেন্স থেকে আয় এবং এর সম্ভাবনার ব্যাপারে অবগত । আনেক Blogger মাসিক হাজার হাজার ডলার আয় করছেন Giant GOOGLE এর পণ্য ADSENSE থেকে ।
কিন্তু আমাদের আয় এত কম কেন ?
এর কারণ হতে পারে বিভিন্ন । কিছু মুল কারণ –
-Keyword of Your Blog,
-Quality পোস্ট এর অভাব,
-Condition of Blog(PR, SEO etc.),
-Impression and required system to get a proper and quality click,
ইত্যাদি ।।
আজ আমরা আলোকপাত করব Article(Blog Post)এ Keyword and Adsense এর আয় বাড়ানোর ব্যাপারে । ADSENSE থেকে মোটা আংকের আয়ের ব্যাপারে ।  এবং এটি 2nd Post ।

First Post of this series

Google সবসময় কোয়ালিটি আরটিকেলের গুরুত্ব দিয়ে আসছে। এবং আপনি SEO এর ব্যপারে সুতরাং সফলতা পাবেন । যেকোন আরটিকেল দিয়ে সফল কি হতে পারেন SEO তে ।কিন্তু এডসেন্স ? কিন্তু টারগেটলেস ব্লগ বা পোস্ট এর ক্ষেত্রে উত্তরটি না হতে পারে । আপনি যদি পারক্লিক বাড়াতে চান অবশ্যই আপনাকে
- proper keyword targeted article এবং
- quality article
এর গুরুত্ব দিতে হবে। কিছু ব্যপার যা মানসম্মত পোষ্টের ব্যপারে খেয়াল রাখবেন ।
  • Main keyword Selection
  • Additional Keyword Selection (একাধিক হতে পারে )
  • Additional Keyword and Main Keyword সম্পর্কিত হতে হবে।
  • Main Keyword এর কিছু pharse এবং Additional keyword মিলে যেতে হবে।
  • Article Size নির্দিস্ট হয় নি কিন্তু কিওয়ার্ড কম্পিটীটর অনুযায়ী কম বেশী হতে পারে ।
[N.B: S E O এর অনপেজ অপটিমাইজেশনের বেসিক নিয়ম অবশ্যই ফলো করবেন। যেমনঃ h1 tag, alt tag, underline etc. ]
মনে রাখবেন আপনার আর্টিকেলটি গড়ে উঠবে মেইন কিওয়ার্ডকে ঘিরে এবং Additional keyword শুধু সাহায্য করবে
আমি মানুষ আমার ভুল হওয়া স্বাভাবিক তাই ভুলগুলি ধরিয়ে দিয়ে সাহায্য করুন।
অ্যাডসেন্স ও ব্লগস্পট থেকে ইনকাম বিষয়ক আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা ও কিছু পরামর্শঃঃআমি পেরেছি আশা করি আপনিও পারবেন।

অ্যাডসেন্স ও ব্লগস্পট থেকে ইনকাম বিষয়ক আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা ও কিছু পরামর্শঃঃআমি পেরেছি আশা করি আপনিও পারবেন।

আজকে আমি আপনাদের সাথে অ্যাডসেন্স ও ব্লগস্পট নিয়ে কিছু কথা শেয়ার করবো।আমদের মাঝে অনেকেই আছেন যারা গুগলের ব্লগস্পট এ বিভিন্ন ধরনের লেখালেখি শেয়ার করেন। এবং অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে ইনকামও করছেন। অনেকে যারা নতুন তারা ব্লগ করার চিন্তা ভাবনা করছেন এবং ব্লগে অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে ইনকাম করার উপায় খুজছেন। এই লেখাটি কিছুটা হলেও আপনাদের উপকারে আসবে বলে আশা রাখি। প্রথমেই একটা বিষয় বলে রাখি আমি নিজেও ব্লগস্পট ও অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে ইনকাম এর ব্যাপারে কিছু সফলতা পেয়েছি আর সেই অভিজ্ঞতা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে এসেছি। কিছু প্রশ্ন ও উত্তরের সম্বন্বয়ে পোষ্টটি লিখছি......
1. ব্লগস্পট ও অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে আসলে কি ইনকাম করা সম্ভব?
হ্যাঁ সম্ভব। আগেই বলেছি আমি পেরেছি আপনিও পারবেন। কিন্তু আপনাদের নিরাশ করে বলছি, যারা অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে রাতারাতি হাজার হাজার ডলার ইনকাম করার চিন্তা করছেন তারা এখনি কেটে পড়ুন ,রাতরাতি হাজার হাজার ডলার ইনকাম করার কোন পরামর্শ আমি দিতে আসিনি,আর আমার মনে হয় তা সম্ভব ও না। জানি না কেও (বাংলাদেশ এর প্রেক্ষাপটে বলছি) পেরেছে কি না!!! হাজার হাজার ডলার হয়তো ইনকাম করা সম্ভব না কিন্তু প্রতি ১ বা ২ মাসে 100 ডলার ইনকাম করা অবশ্যই সম্ভব। (আপনারা হয়তো জানেন অ্যাডসেন্স এ্যাকাউন্ট এ মিনমাম ১০০ ডলার জমা হলেই গুগল পেমেন্ট পাঠিয়ে দেয়)। তাতে অন্তত আপনার নেট এর বিল আর হাত খরচের টাকাট চলে আসবে,তাই নয় কি?
2. তাহলে কি ভাবে কি দিয়ে শুরু করবো?
প্রথমেই আপনার দরকার ব্লগস্পট এ একটি ব্লগ। শুধু ব্লগস্পট এর কথা বলছি কারন আমি এটা দিয়েই ইনকাম করতে পেরেছি আর আমি আমার অভিজ্ঞতা শেয়া করছি মাত্র। যাই হোক আপনি যে বিষয়ে পারদর্শী সে বিষয় বা সে সকল বিষয় নির্বাচন করে একটি ব্লগ ওপেন করুন। আপনি যদি নিজে লিখতে নাও পারেন তাহলে আপনার পছন্দের বিষেয়ে ইন্টারনেট থেকে বিভিন্ন কনটেন্ট সংগ্রহ করে তা সাজিয়ে উপস্থাপন করতে পারেন। আমি কপি পেষ্ট কে অবশ্যই উৎসাহিত করছি না কিন্তু এমন কিছু বিষয়ও আছে যা বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে সংগ্রহ করে নিজের মত করে সুন্দর করে গুছিয়ে উপস্থাপন করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রেও যে বিষয়ে আপনার ভালো জ্ঞান আছে সে বিষয়টি নির্বাচন করুন। ব্লগস্পটে কিভাবে ব্লগ খুলতে হয় ও ব্লগ ডিজাইন করতে হয় সে বিষয়ে টেকটিউন্সে আগেও অনেক টিউন হয়েছে তাই আমি আর সেদিকে গেলাম না। প্রয়োজন হলে সেগুলো নিয়ে একটু ঘাটাঘাটি করে দেখে নিবেন।
ব্লগ খোলার প্রথম ২ থেকে ৩ মাস আপনাকে একটু বেশি সময় দিতে হবে ও সামান্য পরিশ্রম করতে হবে। প্রথম কয়েক মাস প্রচুর পরিমানে তথ্যবহুল ও কোয়ালিটি সম্পন্ন ভালো পোষ্ট দিতে থাকুন। পরে ধীরে ধীরে কোয়ালিটি বজায় রেখে পোষ্ট এর সংখ্যা কমিয়ে দিলেও সমস্যা হবে না আশা করি। মনে রাখবেন "Content Is The King". হবহু কপি পেস্ট করলে আপনার কনটেন্ট তেমন কোন কাজে আসবে না। উদাহরণ স্বরুপ আমার ব্লগ অ্যাড্রেসটি দিব এই পোষ্ট এর শেষে। যেটি দেখলে আপনাদের অনেক কিছুই হয়তো আরো কিছুটা পরিস্কার হয়ে আসবে।আমার ব্লগ এর বয়স ৬-৭ মাস হবে। ইতিমধ্যে দৈনিক 600+ ভিজিটর ও 1500 - 2500+ পেজ ভিউ পাওয়া যাচ্ছে, মাসে পেজ ভিউ ৫৫,000 + । মাত্র অল্প সময়ে আমি পারছি, কিভাবে আপনি পারবেন তা ধাপে ধাপে বলছি।
3. কখন ও কিভাবে অ্যাডসেন্স পাবো ও কিভাবে তা এপ্লাই করবো?
ব্লগ শুরু করার সাথে সাথেই অ্যাডসেন্স এর জন্য এপ্লাই করবেন না। কিছুদিন সময় নিন। ১ বা 2 মাস পর এটি করুন। কিভাবে অ্যাডসেন্স এর জন্য এপ্লাই করবেন ও তা এ্যাপ্রুভ করবেন সে বিষয়ে বিস্তারিত টিউন টেকটিউন্সে করা আছে। আমি প্রায় সব কিছুই এখান থেকে শিখেছি। একটু ঘাটা ঘাটি করুন আপনার জানার পরিধি অবশ্যই বাড়তে বাধ্য।
শুধু ব্লগ আর অ্যাডসেন্স নিয়ে বসে থাকলেই কিন্তু চলবে না। ব্লগে পর্যাপ্ত ভিজিটরও আসতে হবে। কিভাবে পর্যাপ্ত ভিজিটর পাবেন সে বিষয়ে পরের পয়েন্টে আলোচনা করবো।
অ্যাডসেন্স বিষয়ক সর্তকতা:
* কখনও নিজেই নিজের এ্যাড এ ক্লিক করবেন না।
*প্রক্সি ব্যবহার করে এ্যাড এ ক্লিক করবেন না।
*আপনার অ্যাডসেন্স একাউন্টে অস্বাভাবিক কিছু বা Invalid click ধরা পড়লে সঙ্গে সঙ্গে গুগল কে রিপোর্ট করুন। আপনার একাউন্ট রক্ষা্ পাবে।
*আপনার ব্লগের এ্যাড এ ক্লিক করতে কাওকে আমন্ত্রন জানাবেন না। মনে রাখবেন, গুগল আপনার বা আমার থেকে অনেক বেশি বুদ্ধিমান। কোন চালাকি করতে গেলে আপনরা মূল্যবান অ্যাডসেন্স একাউন্টটি বাতিল হতে পারে।
4. কোথা থেকে ভিজিটর আসবে? কিভাবে ভিজিটর ধরে রাখা যাবে?
প্রথম কথা হলো আমার ব্লগের বেশিরভাগ ভিজিটর ই আসে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন থেকে ,তার মধ্যে সব থেকে বেশি আসে গুগল থেকে। ভিজিটর না থাকলে আপনার সকল পরিশ্রম বৃথা যাবে। কিভাবে আপনিও পারবেন?
Submit Your Sit to Search Engines:
আপনার সাইটি সব ধরনের সার্চ ইঞ্জিন  এ সাবমিট করুন। কিভাবে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন  এ আপনার সাইটি সাবমিট করবেন সে বিষয়ে গুগলে একটু ঘাটাঘাটি করলেই বিস্তারিত পেয়ে ‍যাবেন আশা করি।
Comment on Various Blogs and Site To Create Back Link:
অন্যান্য ব্লগ ও সাইটে নিয়মিত কমেন্ট করুন ও আপনার সাইটের লিংক দিন। বিভিন্ন সাইটে আটিকেল লেখালেখি করুন। এটি আপনার সাইটের ব্যাক লিংক তৈরিতে সাহা্য্য করবে।যত বেশি ব্যাক লিংক তৈরি করবেন ততই আপনার পেজটি সার্চ ইঞ্জিন  এ শো করতে সহায়তা করবে। এবং এ সকল ব্যাক লিংক থেকে আপনি নিয়মিত ভিজিটর ও  পাবেন।
Do Not Create Back-link By One Click Back-link Submission Sites:
দেখা যায় যে অনেকে দ্রুত ব্যাক লিংক তৈরি করতে যেয়ে কিছু সহজ উপায় অবলম্বন করতে যায়। এ বিষয়ে আমি কিছু টিউন টেকটিউন্সেও পেয়েছি। যেমন "Create Back-link Over 2500 Sites by One Click" পরামর্শ বা সর্তকতা যাই বলেন না কেন,ভুলেও এ সকল সাইটে আপনার লিংক সাবমিট করবেন না। সাময়িক ভাবে উপকৃত হলেও দীর্ঘমেয়াদে এর ফল খুবই খারাপ। সার্চ ইঞ্জিন  গুলো আপনার সাইটটি ব্লাক লিস্টেড করে দিতে পারে।
Use of Social Sites:
সোস্যাল সাইট গুলোতে আপনার সাইট এর ফ্যান পেজ বানাতে হবে। এবং আপনার সাইট এবং ফ্যান পেজ লিংক আপ করে দিতে হবে, যেন আপনি নতুন পোষ্ট করা মাত্র তা আপনার ফ্যান পেজ এ চলে আসে। কারন সকলেই নিয়মিত সোস্যাল সাইট গুলো ভিজিট করে থাকে। আপনি আপনার সাইটে নতুন কি দিলেন তা তারা সেখান থাকে জানতে পারবে। এবং আপনার সাইটে এটি ভিজিটির বাড়াতে সাহায্য করবে। সোস্যাল সাইট গুলোর মধ্যে ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস,  লিংকড ইন এ সহ আরো অনেক কিছুই ব্যবহার করতে পারেন। এবং লিংক আপ করার জন্য আমি ডেলিভার ইট এই সাইটটি ব্যবহার করি। ব্লগে নতুন পোষ্ট আসার সাথে সাথে তা অটোমেটিকালি ফ্যানপেজ গুলোতে পোষ্ট দিয়ে দেয়।
Create Interlink Inside your Post to Hold Visitor For Long Time:
আপনার প্রতিটি পোষ্টে ইন্টারলিংকিং রাখবেন। ইন্টারলিংকিং হলো--- ধরুন আপনি একটি পোস্ট তৈরি করছেন তার সাথে রিলেটেড পূর্বে প্রকাশিত কোন পোষ্ট এর লিংক যোগ করে দিন।
এটি আপনার সাইটে ভিজিটর দীর্ঘক্ষন ধরে রাখতে সহায়তা করবে। যার ফলে আপনার বাউন্স রেট কমবে। যা আপনার সার্চ ভিজিবিলিটি এর ক্ষেত্রে অনেক উপকার করবে।
Google Webmaster Tools:
বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে সাইট সাবমিট করার কথা আগেই বলেছি কিন্তু শুধু সাবমিট করে বসে থাকলে চলবে না, আপনার পেজটি গুরুত্বপূর্ণ্ মনে না হলে সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইট টি ক্রল করতে অনেক দেরি করতে পারে। সেজন্য সাইট ম্যাপ সাবমিটও করতে হবে। যেহুতু আমার বেশিরভাগ ভিজিটর আসে গুগল থেকে তাই আমি দেখাবো কিভাবে এখানে সাইট ম্যাপ সাবমিট করতে হবে। আপনাকে একই ভাবে অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনেও তা সাবমিট করতে হবে। গুগলে সাইট ম্যাপ সাবমিট করতে হলে আপনাকে Google Webmaster Tools টি ব্যবহার করতে হবে। এখানে ‍Dashboard  > Crawl >Sitemap এ যেয়ে আপনার সাইট ম্যাপটি সাবমিট করতে হবে। যদি আপনার সাইটে পোষ্ট এর সংখ্যা 0 -500 এর মধ্যে হয় তাহলে নিম্নো্ক্ত কোডটি ব্যবহার করুন-
    /atom.xml?redirect=false&start-index=1&max-results=500
যদি আপনার সাইটে পোষ্ট এর সংখ্যা 500 -1000 এর মধ্যে হয় তাহলে নিম্নো্ক্ত কোডটি ব্যবহার করুন-
আর একটি সাইট ম্যাপ আছে পোষ্ট এর সংখ্যা যাই হোক না কেন আপনি ব্যবহার করতে পারেন-        /sitemap.xml
আপনি কোন দেশ খেকে ভিজিটর টার্গেট করেন সে দেশটি ও সিলেক্ট করে দিতে হবে। যা Dashboard  > ‍Search Traffic>International Targeting  এখানে পাবেন।
আমি ব্লগে এগুলো ব্যবহার করেছি, অন্যান্য সাইটে এটি একই রকম কিনা সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত নই।
Bounce Rate:
এ বিষয়ে উপরে আগে আরেকবার বলেছি। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ধরুন একজন ভিজিটর আপনার পেজ এ ল্যান্ড করলো কিন্তু সাথে সাথে বা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে চলে গেল (সাধারনত 45 সেকেন্ডের আগে) তাহলে আপনার বাউন্স রেট বেড়ে যাবে। কেন আপনার সাইটের বাউন্সরেট বেড়ে যাচ্ছে, আর সবার থেকে আপনি নিজেই তা ভালো জানেন। তাই কারন টি বের করুন ও ভিজিটর ধরে রাখার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করুন। সুফল ও কুফল উপরে একবার বলে ফেলেছি।
Use Google Analytics:
Google Analytics এর ব্যবহারের মাধ্যমে আপনার ভিজিটর ট্রাক করুন। কোথা থেকে ভিজিটর আসছে, কি পড়ছে, কতক্ষন কোন পেজ এ থাকছে। ভিজিটর এর বয়স সীমা , Gender, সহ সকল বিষয়ে জানতে পারবেন। যা থেকে প্রাপ্ত তথ্য উপাত্ত আপনাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।
Alexa Ranking:
Alexa Ranking ব্যবহার করুন। কিভাবে আপনার সাইট এর Ranking  কামবেন তা ভাবুন । অবশ্যই প্রচুর ভিজিটর এর মাধ্যমে। এ ছাড়াও কিছু সাধারন বিষয় আছে যা ব্যবহার করলে আপনার র‌্যান্কিং কমবে। এ বিষয়ে টেকটিউন্সে পোষ্ট আছে , যা ব্যবহার করে আমি সুফল পেয়েছে। গত 2 মাস আগেও আমার Blog এর Global Ranking ছিল 29,00,000 (+), বর্তমানে (আজকে) তা কমে দাড়িয়েছে 8,60,053 তে। একদিনে হয়নি অবশ্যই, ধীরে ধীরে হয়েছে এবং এখনো অব্যাহত আছে। আশাকরি আগমী 2/3 মাসের মধ্যে এটাকে 1 থেকে 2 লাখ এর মধ্যে রাখতে পারবো।
Target Your Visitor But Not Google:
সর্বপরি এবং সবশেষে একটা ছোট্ট কথা বলে শেষ করবো। গুগল বা অ্যাডসেন্স কে নয়, আপনার ভিজিটর কে টার্গেট করুন।
ব্ল্বগে ভিজিটর কম থাকলেও আয় করুন সহজে।

ব্ল্বগে ভিজিটর কম থাকলেও আয় করুন সহজে।

ব্ল্বগে ভিজিটর কম থাকলেও আয় করুন সহজে।
আমরা অনেকেই ব্লগ করে থাকি, কিন্তু ভিজিটর কম তাই আয় তেমন একটা হয় না বললে চলে, আর অনেকেই গুগল অ্যাডসেন্সএর অনুমোদন পাই না। আর যাদের বাংলা ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইট আছে তারা তো গুগল অ্যাডসেন্স ব্যবহার করতে পারে না। তাই তাদের জন্য নিয়ে এলাম গুগল অ্যাডসেন্স এর বিকল্প। সাইটটির নাম popcash
এটি একটি পপ-আপ অ্যাড সাইট। এতে ভিজিটরদের বিরক্ত হওয়ার কোনো কারণ নাই, কারণ এটি শুধু সারাদিনে একবার অ্যাড শো করবে প্রতি কম্পিউটারে।
এই লিংকে গিয়ে  আপনি একাউন্ট করার পর আপনার ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইট যোগ করুন। ২৪ ঘন্টার মধ্যে এপ্রোভ করবে। তারপর get code এ ক্লিক করে কোডটি নিয়ে আপনার ব্লগ কিংবা ওয়েব সাইটে বসিয়ে দিন।
আপনার কাজ শেষ। এখন থেকে আয় করুন সহজে।
কিভাবে পাবেন Adsense-এ Per Click এ বেশি Earning: Keyword Select

কিভাবে পাবেন Adsense-এ Per Click এ বেশি Earning: Keyword Select

এডসেন্স থেকে আয় এবং এর সম্ভাবনার ব্যাপারে আপনারা অবগত । আনেক Blogger মাসিক হাজার হাজার ডলার আয় করছেন Giant GOOGLEএর পণ্য ADSENSE থেকে ।
কিন্তু আমাদের আয় এত কম কেন ?
এর কারণ হতে পারে বিভিন্ন । কিছু মুল কারণ –
-Keyword of Your Blog,
-Quality পোস্ট এর অভাব,
-Condition of Blog(PR, SEO etc.),
-Impressions and required system to get a proper and quality click,
ইত্যাদি ।।
আজ আমরা আলোকপাত করব Keyword, Blog Post and ADSENSE এর ব্যাপারে । ADSENSE থেকে সম্মানজনক আয়ের এর ব্যাপারে ।

যথাযথ কিওয়ার্ড বাছাই এবং এর ব্যবহারঃ

এডসেন্স থেকে আয় বৃদ্ধিতে অবশ্যই key word selection এর গুরুত্ব দিতে হবে। কিন্তু সমস্যা হল বেশী Page views এবং CPC এর কীওয়ার্ড এর competitor বেশী হবে . সুতরাং একটি আদর্শ কী ওয়ার্ড বাছুন।
  1. Good page views,
  2. Good CPC,
  3. Long tail keyword (যদি ব্লগ নতুন হয় এবং আপনি কম সময় দেন এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।
  4. কীওয়ার্ড যেন অধিক লম্বা না হয় ।
  5. জায়ান্ট Competitor পরিহার করুন।
  6. Additional keyword খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি আপনার Backup Plan। (বিস্তারিত আসছে)
ব্যপারগুলো বিরক্তিকর বা জটিল মনে হতে পারে । কিন্তু এটির বয়বহার না করা ব্যর্থতার কারণ হতে পারে ।সুতরাং কেন আপনি পিছিয়ে থাকবেন । বাড়িয়ে নিন আপনার আয় সঠিক উপায়ে ।