ইলেক্ট্রনিক্স লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ইলেক্ট্রনিক্স লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রাস্পবেরি পাই প্রথম বুট করা এবং সিম্পল প্রজেক্ট তৈরি

রাস্পবেরি পাই প্রথম বুট করা এবং সিম্পল প্রজেক্ট তৈরি

রাস্পবেরি পাই হচ্ছে সিঙ্গেল বোর্ড কম্পিউটার। বলতে গেলে একটা ক্রেডিটকার্ডের সমান। যা ব্যবহার করার জন্য দরকার কিবোর্ড, মাউস আর একটা ডিসপ্লে। যে কোন মনিটর বা টিভিকে ডিসপ্লে হিসেবে ব্যবহার করা যায়। কনফিগারেশনের তুলনায় দাম অনেক কম। এর অনেক গুলো মডেল পাওয়া যায়। যেমন এখন পর্যন্ত লেটেস্ট মডেল হচ্ছে RASPBERRY PI 2 MODEL B। এর কনফিগারেশন হচ্ছেঃ
– A 900MHz quad-core ARM Cortex-A7 CPU
– 1GB RAM
– 4 USB ports
– 40 GPIO pins
– Full HDMI port
– Ethernet port
– Combined 3.5mm audio jack and composite video
– Camera interface (CSI)
– Display interface (DSI)
– Micro SD card slot
– VideoCore IV 3D graphics core
রাস্পবেরি পাই বোর্ড মূলত ডেভেলপমেন্ট বোর্ড। কম্পিউটার হিসেবে ব্যবহার করার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজেক্টের প্রোটোটাইপ তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়। যেমন রোবট তৈরি, ড্রোন তৈরি, হোম সিকিউরিটি সিস্টেম তৈরি,  ডোর সিকিউরিটি, পারসোনাল ওয়েব সার্ভার, স্মার্টফোন, কম্পিউটার ক্লাস্টার তৈরি সহ নিজের ইমাজিনেশন ব্যবহার করে অনেক কিছুই তৈরি করা যাবে।

RASPBERRY PI 2 MODEL B
RASPBERRY PI 2 MODEL B
রাস্পবেরি পাই এর অফিশিয়াল অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে Raspbian, লিনাক্সের Debian ডিস্ট্রো এর উপর তৈরি। Raspbian ছাড়াও অনেক গুলো অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা যাবে, যেমন Windows 10 IoT, Ubuntu Mate, Snappy Ubuntu Core, OSMC ইত্যাদি।
RASPBERRY PI 2 MODEL B এর মূল্য হচ্ছে ৩৫ ডলার। বিদেশ থেকে কাউকে দিয়ে আনিয়ে নেওয়া যাবে। বাংলাদেশ থেকে কিনতে গেলে প্রায় ৪৫০০-৪৭০০ টাকা লেগে যেতে পারে। তাই ভালো হয় বিদেশ থেকে নিয়ে আসা। ব্যকপ্যাক এর সাহায্যেও আনা যেতে পারে। ব্যাকপ্যাক থেকে আনলে একটা সুবিধে পাওয়া যাবে, তা হচ্ছে প্রথম বার রেজিস্ট্রেশন করলে তারা ৫০০ টাকা ক্রেডিট দিবে। প্রায় ৬ ডলারের মত। ৫০০ টাকা ক্রেডিট পাওয়ার জন্য এখান থেকে রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন। ব্যাকপ্যাকের আরেকটা সুবিধে হচ্ছে বিকাশ এর মাধ্যমেও পেমেন্ট দেওয়া যাবে।টেকশপবিডি থেকে ও নিতে পারেন। অর্ডার করার ৩ দিনের মধ্যে হাতে পাবেন, এবং হাতে পাওয়ার পর টাকা দিলেই হবে।
Rashpberry Pi এর সাথে বাড়তি কিছুই থাকবে না। শুধু মাত্র বোর্ডটি। এটি ব্যবহার করার জন্য লাগবেঃ
– Mouse
– Keyboard
– Micro SD Memory card – 4gb minimum
– Monitor/Tv
– HDMI Cable
– Micro USB Power Supply – Android Charger / Android Data cable কাজ করবে।

রাস্পবেরি পাই প্রথম বার বুট করা

রাস্পবেরি পাই হাতে পাওয়ার পর আমি কিবোর্ড, মাউস আর মেমরি কার্ড কিনে নিয়ে এসেছি। এন্ড্রয়েডের চার্জারকে পাওয়ার সাপ্লাই হিসেবে ব্যবহার করব। রাস্পবেরি পাই এর সাথে ছোট্ট একটা ম্যানুয়াল দেয়। এ ছাড়া অনলাইনেও গাইডলাইন রয়েছে। গাইডলাইন অনুযায়ী সবই করলাম। কিন্তু কিছুই দেখাচ্ছে না। পরে বুঝতে পারলাম অপারেটিং সিস্টেম মেমরিকার্ডে লোড করতে হবে। অপারেটিং সিস্টেম [Raspbian] ডাউনলোড করলাম। এরপর এক্সট্রাক্ট করা মেমরি কার্ডে লোড করলাম। তারপর দেখলাম বুট হচ্ছে। বুট মেনু দেখে কি সুন্দর অনুভূতি হয়েছিল। বুট করার পর ব্যবহার করা শুরু করলাম। ছোট খাটো কম দাম হিসেবে পারফরমেন্স বেশ ভালো। পারসোনাল কম্পিউটার হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে এটাতে মূলত প্রোগ্রামিং, ওয়ার্ড প্রসেসিং, গান শুনা ইত্যাদি সুন্দর ভাবে করা যাবে।
প্রথমবার বুট করা একটু ঝামেলা মনে হলেও মূলত সহজ। ডাউনলোড সেকশন https://www.raspberrypi.org/downloads/ থেকে NOOBS টা ডাউনলোড করে নিতে হবে। এরপর যে কোন জিপ সফটওয়ারের সাহায্যে আনজিপ করে মেমরিকার্ডে রাখতে হবে। আর কিছুই করতে হবে না। মেমরি কার্ড রাস্পবেরিপাই তে লাগিয়ে এরপর কিবোর্ড, মাউস, মনিটর সব কিছু সুন্দর মত কানেক্ট করতে হবে। পাওয়ার সোর্স যুক্ত করার সাথে সাথেই রাস্পবেরিপাই অন হবে বা বুট হবে। অন অফ কোন সুইচ নেই এটাতে।
ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য ইথারনেট পোর্ট রয়েছে। ওয়াইফাই ব্যবহার করতে চাইলে বাজারে ৫০০-১০০০ টাকায় ওয়াইফাই এডাপ্টার পাওয়া যায়, একটা কিনে এনে USB পোর্টে লাগিয়ে নিলে সহজেই ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাবে।

রাস্পবেরিপাই প্রথম প্রজেক্ট

রাস্পবেরিপাই এর প্রধান সুবিধে প্রজেক্ট তৈরি করা। এতে 40টা GPIO পিন রয়েছে। এই পিন গুলোর কোনটার নাম কি, তার বিস্তারিতঃ

RP2_Pinoutপিন গুলোকে ব্যবহার করার জন্য এখন প্রোগ্রামিং করার সময় হয়েছে। ডিফল্ট ভাবেই অনেক গুলো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ইন্সটল করে দেওয়া থাকে Raspbian এর সাথে। আমরা পাইথন ব্যবহার করব। পাইথন ব্যবহার করার জন্য Menu থেকে Programming এবং সেখান থেকে পাইথন এ ক্লিক করলে পাইথন শেল ওপেন হবে। শুরুতে আমরা সিম্পল একটা পাইথন প্রোগ্রাম লিখব। পাইথন প্রোগ্রামিং শিখতে চাইলে বাংলায় পাইথন প্রোগ্রামিং দেখা যেতে পারে।
print("Hello World!")

এটা লিখে এন্টার চাপলে দ্বিতীয় লাইনে আমাদের প্রোগ্রামের আউটপুট দিবে। আমরা এখন একটা Led লাইট জ্বালানোর কোড লিখব। তার জন্য পাইথন শেল এর মেনুত হএকে File > New তে ক্লিক করে নতুন ফাইল তৈরি করে নিব। এবং তা সেভ করব। এবং এতে নিচের কোড গুলো লিখবঃ
import RPi.GPIO as GPIO
GPIO.setmode(GPIO.BOARD)
GPIO.setup(7, GPIO.OUT)
GPIO.output(7,True)

প্রথম লাইন এ আমরা GPIO লাইব্রেরি ইম্পোর্ট করেছি। দ্বিতীয় লাইনে বোর্ড পিন নাম্বারিং ব্যবহার করেছি। তৃতীয় লাইনে আমরা ৭ নং পিন কে আউটপুট হিসেবে সেট করেছি। এবং চতুর্থ লাইনে ৭ নং পিনে ভোল্টেজ দেওয়ার জন্য বলে দিয়েছি।
আমাদের সার্কিটটি হবে নিচের মত।

breadboard_assembled_rpi2_kit
এর জন্য আমাদের একটি 50 ohm Resistor, একটি Led, ব্রেডবোর্ড, আর তার লাগবে। অনেক গুলো গাউন্ড পিন রয়েছে, আমরা ৬ নং পিনকে গ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহার করব। আর ৭ নং পিনকে আউটপুট পিন হিসেবে ব্যবহার করব। সার্কিট তৈরি করার পর এবার প্রোগ্রামটি রান করলে আমাদের Led জ্বলে উঠবে। এটি খুবি সিম্পল একটা প্রজেক্ট ছিল। এখান থেকে দেখা যাবে কত সুন্দর সুন্দর প্রজেক্ট তৈরি হয়েছে রাস্পবেরি পাই ব্যবহার করে। নিজে নিজে চেষ্টা করে অনেক কিছুই করা সম্ভব হবে। ইউটিউবে রয়েছ অনেক টিউটোরিয়াল। এছাড়া অনলাইনে অনেক গুলো সার্কিট ডায়াগ্রাম, প্রোগ্রামিং কোড পাওয়া যাবে, সেগুলোও ট্রাই করে নিজের জ্ঞান বাড়িয়ে নেওয়া যাবে। হ্যাপি হ্যাকিং :)
btw, রাস্পবেরি ফাউন্ডেশন মাত্র ৫ ডলার মূল্যে একটি বোর্ড রিলিজ দিচ্ছে। যার কনফিগারেশন 1GHz ARM11 সিঙ্গেল কোর প্রসেসর, ৫১২ মেগাবাইট এসডি র‍্যাম, মাইক্রো এসডি কার্ড স্লট, মিনি এইচডিএমআই পোর্ট ইত্যাদি। আমরা ছোটবেলায় মোটর, লাইট, এসব নিয়ে খেলা করেছি। এখনকার বাচ্চারা কম্পিউটার নিয়ে খেলা করতে পারবে। ৪০০ টাকা পড়বে এই সিঙ্গেল বোর্ড কম্পিউটারটি। আমার কাছে মনে হচ্ছে টাইম মেশিনে বসে আছি, টাইম মেশিনে বসে ফিউচারের দিকে খুব দ্রত যাচ্ছি বা ফিউচারেই বাস করছি।
শুধু মাত্র একটি আইসি দিয়ে তৈরী করুন ৪০ওয়াট হাই ফাই এম্পলীফায়ার।

শুধু মাত্র একটি আইসি দিয়ে তৈরী করুন ৪০ওয়াট হাই ফাই এম্পলীফায়ার।

আমার পক্ষ্য থেকে সবাইকে জানাই আন্তরীক শুভেচ্ছা ও ভালবাসা,
আজ আপনাদেরকে অনেক সুন্দর একটি সার্কিট দেখাব, সার্কিটটি তৈরী করা
এত সহজ, আর ভাল সাউন্ড কোয়ালিটি, এম্পলীফায়ারটি এত অল্প পার্স দিয়ে
তৈয়ার করা হয়েছে যেকেও তৈরী করতে পারবেন সার্কিট তাই
আর দেরি না করে তৈয়ার করে ফেলুন। প্রাইভেটকারে এই এম্পলীফায়ারটি
বেশী ব্যবহার করা হয়ে থাকে সাউন্ড এবং ভিট দুটাই খুব ভাল শুনা যায়।
আইসিটির সাথে মাত্র দুইটি রেজিষ্টর ব্যবহার করা হয়েছে
আইসীটিতে ভোল্ট হিসেবে  14v DC পাউয়ার সাপ্লাই দিবেন আইসিটি ষ্টেরিও
20x20=40w আউটপুট পাবেন বাজারে প্রাইবেটকারে লাগানু থাকে যে স্পিকার
গুলী কিনতে পাওয়া যায় এরকম একটি স্পিকারের ছবি দিলাম
এরকম দুইটি স্পিকার লাগাবেন আশা করি ভাল সাউন্ড পাবেন। এবার আসুন সার্কিটটি দেখি
একটি বিষয় লক্ষ্য রাখবেন আইসিটির আউটপুটে অংশে স্পিকারের সাথে কোন
কেপাসিটর লাগানো নাই যে কারণে সার্কিটটি চলন্ত অবস্থায় স্পিকারের
দুই তার শর্ট হলে আইসিটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে
অনেক দিনে স্বপ্ন পূর্ণ করুন আর 250W এম্পলী ফায়ার তৈরী করুন নিজের হাতে।

অনেক দিনে স্বপ্ন পূর্ণ করুন আর 250W এম্পলী ফায়ার তৈরী করুন নিজের হাতে।

আজ আপনাদের কে বেশী ওয়াটের একটি এম্পলি ফায়ার সার্কিট উপহার দিব।
অনেকের STK আইসি দিয়ে এম্পলি ফায়ার তৈরী করা শুধু স্বপ্নই ছিল কিন্ত অনেকেই
হয়ত তৈরী করতে পেরেছেন অনেকেই হয়ত পারেন নাই এ জন্যই আজ অতি সহজ করে
চিত্র আকারে ড্রায়গ্রামটি দিলাম এতে করে সকলেই আশা করি তৈরী করতে পারবেন।
Hi-Fi এম্পলি ফায়ার বলতে আমরা যে সব এম্পলিফায়ারকে বুঝি
তাদের মধ্যে STK এম্পলি ফায়ার অন্যতম। নীচে এ সম্পর্কে
আলোচনা করা হল। এখানে যে STK এম্পলি ফায়ার সারকিটটি
দেওয়া হলো তাতে STK 4101-II সিরিজের বেশ কয়েকটি
IC এর কোনটিতে কত ভোল্ট সাপ্লাই দিলে কত WATT পাওয়া যাবে।তা
আমরা এক বার দেখে নেই। সার্কিটের কোন পার্স পরিবর্তন ছাড়াই শুধু আইসি নাম্বার
এবং ট্রান্সফরমার ভোল্ট কম বেশী করে এম্পলী ফায়ারটির ওয়াট 30W থেকে 250W
করা যাবে যেমন আপনাদের কে সহজে বুঝানোর জন্য নিচে একটি চিত্র দেওয়া হল=

পাওয়ার সাপলাই ব্যবহারের ক্ষেত্রে পাশে দেওয়া চার্টের মিনিমাম ভোল্ট
(Minimum Volt) ব্যবহার করাই উত্তম।
ড্রায়গ্রাম যে সকল বন্ধুরা না বুঝেন তাদের জন্য চিত্র আকারে দেওয়া হল=
এবার আসুন আমরা STK এম্পলী ফায়ার মূল সারকিটটি দেখি চিত্র
আকারে দেওয়া হল=
উপরোক্ত STK এম্পলি ফায়ারের IC গুলির জন্য স্পিলিট (SPLIT)
পাওয়ার সাপ্লাই প্রয়োজন। অর্থাৎ এধরনের সাপ্লাইয়ে প্রজেটিভ (+) ও নেগেটিভ (-)
ভোল্ট ছাড়াও একটি জিরো ভোল্ট (0) বা কমন পয়েন্ট বা গ্রাউন্ড থাকে
আর STK এম্পলি ফায়ারের জন্য কমপক্ষে 3AMP কারেন্ট প্রয়োজন
সকল STK এম্পলি ফায়ারের ক্ষেত্রেই বিশেষ সতর্কতার প্রয়োজন
কেননা এর output পয়েন্ট দুইটি অর্থাৎ স্পিকারের তার দুইটি
শর্ট বা একত্রিত হওয়ার সাথে সাথেই দামী IC টি নষ্ট হয়ে যাবে।
সার্কিটটিতে লাগানো সকল ক্যাপাসিটর অবশ্যই 50 volt বা 63 volt
এর হতে হবে।
যেহেতু সার্কিটটি স্পিলিট সাপ্লাইতে চলে সেহেতু IC টি
প্রচন্ড গরম হবে তাই বেশ বড় আকারের হিটসিং ব্যবহার
না করলে IC টি গরম হয়ে পুড়ে নষ্ট হয়ে যাবে ।

আসাকরি এম্পলী ফায়ারটি তৈরী করুন এবং ব্যবহার করুন
আপনার এ্যন্ড্রয়েড মোবাল ফোনের জন্য তৈরী করুন খুব সহজে একটি সাউন্ড বক্স।

আপনার এ্যন্ড্রয়েড মোবাল ফোনের জন্য তৈরী করুন খুব সহজে একটি সাউন্ড বক্স।

অল্প খরচে অল্প টাকায় 4422 আইসি দিয়ে আসুন সবাই মিলে একটি
সুন্দর সাউন্ড কোয়ালিটির এম্পলিফায়ার তৈরী করি সার্কিটিতে
মাত্র ছয়টি ইলেক্ট্রলাইটিক কেপাসিটর ব্যবহার করা হয়েছে
একটি মাত্র মাইলার কেপাসিটর ব্যবহার করা হয়েছে ৮" ছুট মেগনেটের
স্পিকারে ব্যবহার করলে বেশ ভাল সাউন্ড হয়। যদি ও আইসিটির
ওয়াট কম 5.8W কিন্তু এম্পলিফায়ারটি তৈরী না করে বুঝতে পারবে না
সাউন্ড কোয়ালিটি কত সুন্দর। দশ পিনের এই ছুট আইসিটি 12V 2A
ট্রান্সফরমা ব্যবহার করলে আউট পুটে ভাল সাউন্ড পাউয়া যায়।
তা হলে আসুন এবার আইসিটির ছবি দেখে নেই=
দশ পিনের 4422 আইসি
এবার কথা আর না বাড়িয়ে আসুন এম্পলিফায়ার সার্কিট ডায়গ্রামটি দেখে নেই=
মাত্র অল্প কয়েকটি পার্স দিয়ে তৈরী করা হয়েছে এম্পলিফায়াটি। আসা করি নতুন বন্ধুদের তৈরি
করতে কোন সমস্য হবে না।
সার্কিটটি তৈয়ার করতে আপনার যে পার্স গুলি লাগবে=
IC=4422
Vr1=10k
C1=10mf
C2=100mf
C3=100m
C4=100m
C5=100mf
C6=1000mf
C7=.1
নিজের হাতে এম্পলিফায়ার তৈরী করার পর দেখা যায়
ভলিয়াম কন্ট্রোলার এবং BASS TONE কন্ট্রোলার
সার্কিট অনেকে এই বানাতে পারে না যে কারণে যদি ও
এম্পলিফায়ার সার্কিটটির সাউন্ড কোয়ালিটি ভাল থাকে
তার পর ও আপনি স্পিকারে অথবা আউটপুটে কোন দিন
ভাল সাউন্ড পাবেন না, যদি আপনি ভলিয়াম কন্ট্রোলার এবং BASS TONE কন্ট্রোলার
সার্কিট ভাল করে তৈরী করতে না পারেন। এ জন্য এখানে একটি
BASS TONE কন্ট্রোলার সার্কিট অতি সহজ আকারে
মনু সার্কিট দিলাম যদি আপনি ষ্টেরিও কোন এম্পলিফায়ারের সাথে লাগাতে চান
তা হলে আপনাকে এ রকম দুইটা সার্কিট তৈরী করতে হবে।
 স্পিকারটি অবশ্যই ভাল বক্স এর মধ্য লাগাতে হব না হয়ত ভাল ভিট পাওয়া যাবে না
আশাকরি সার্কিটটি সকলেই ভাল করে তৈরী করতে পারবেন।
মাইক্রোকন্ট্রোলার গুরু [পর্ব-১১] ::AVR মাইক্রোকন্ট্রোলার বেসিক (পর্ব-২)

মাইক্রোকন্ট্রোলার গুরু [পর্ব-১১] ::AVR মাইক্রোকন্ট্রোলার বেসিক (পর্ব-২)

AVR মাইক্রোকন্ট্রোলার বেসিকের আজকের পর্বে থাকছে। কিভাবে একটা বেসিক বেসিক প্রোগ্রাম লেখা যায় এবং তা সিমুলেশনের মাধ্যমে হার্ডওয়্যারে লোড করে কার্যকারীতা পর্যবেক্ষণ করা যায়।

কিভাবে একটা বেসিক বেসিক প্রোগ্রাম লেখা যায়

গতপর্বে আমরা দেখেছিলাম কিভাবে একটা নতুন প্রোজেক্ট ওপেন করতে হয়। গতপর্বের দিক নির্দেশনা অনুসরণ করে একটা নতুন প্রোজেক্ট ওপেন করুন। ওপেন করার সময় Device হিসেবে atmega8 নির্বাচন করুন।
তাহলে নিচের ছবির মতো একটা  কোড উইন্ডো পাবেন।
নিচের  কোডটুকু লিখুন
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
#include <avr/io.h>
#include <util/delay.h>                // for _delay_ms()
 
int main(void)
{
DDRB = 255;                       // initialize port B
while(1)
{
 
PORTB = 0b11111111;            //Al the pins of PORTB will be high
_delay_ms(3000);                // wait 3000 milliseconds
 
PORTB = 0b00000000;                //Al the pins of PORTB will be low
_delay_ms(3000);                // wait 3000 milliseconds
 
}
}

 Build মেনু থেকে Build Solution এ ক্লিক করুন। তাহলে কম্পাইল হয়ে .hex ফাইল তৈরি হবে।
.hex ফাইলটি পাওয়া যাবে C:\Users\my\Documents\AVRStudio 5.1\avrtutorial2\avrtutorial2\Debug এর অনুরূপ লোকেশনে

কিভাবে PROTEUS এ সিমুলেশন হার্ডওয়্যার ডিজাইন করবেন, দেখে নিন


PROTEUS ISIS ওপেন করে নিচের ছবির মতো Pick from Libraries এ ক্লিক করুন।
নিচের ছবির নির্দেশনা অনুসরণ করুন। keywords এ atmega8 লিখে সার্চ করুন, এরপর নির্বাচন করুন, সবশেষে ok বাটনে ক্লিক করুন।
মাউস পয়েন্টারটি পেনসিলের আকার ধারণ করবে। একটা ক্লিক করে atmega8 ডিজাইন উইন্ডোতে নিয়ে আসুন।

এখন মাইক্রোকন্ট্রোলারটির উপর ডাবল ক্লিক করে .hex ফাইলটির লোকেশন দেখিয়ে দিন।
Play বাটনে ক্লিক করুন। নিচের ছবি অনুসরণ করুন।
তাহলে আমাদের লেখা কোডটি রান হবে।
উপরের এনিমেশনটিতে আমরা দেখতে পাচ্ছি বামদিকের PB0 থেকে PB7 পর্যন্ত যে পিন সমূহ রয়েছে একবার লজিক হাই হচ্ছে এরপর তিন সেকেন্ড অপেক্ষা করছে , তারপর লজিক লো হয়ে তিন সেকেন্ড অপেক্ষা করছে।

প্রোগ্রাম পর্যালোচনা

1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
#include <avr/io.h>
#include <util/delay.h>                // for _delay_ms()
 
int main(void)
{
DDRB = 255;                       // initialize port B
while(1)
{
 
PORTB = 0b11111111;            //Al the pins of PORTB will be high
_delay_ms(3000);                // wait 3000 milliseconds
 
PORTB = 0b00000000;                //Al the pins of PORTB will be low
_delay_ms(3000);                // wait 3000 milliseconds
 
}
}
#include <avr/io.h> এর মাধ্যমে একটা লাইব্রেরী ফাইলকে কল করা হয়েছে,যা মাইক্রোকন্ট্রোলারের ইনপুট আউটপুট পোর্ট ব্যবহার করে কাজ করার জন্য প্রোগ্রামে ব্যবহৃত হয়।
#include <util/delay.h>  এর মাধ্যমে একটা লাইব্রেরী ফাইলকে কল করা হয়েছে,যা _delay_ms() ফাংশনের মাধ্যমে সময় বিরতি তৈরি করতে প্রোগ্রামে ব্যবহৃত হয়।
int main(void){} আমরা যেহেতু প্রোগ্রামিং সি ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লিখেছি, তাই গতানুগতিকভাবে সি ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লেখার ক্ষেত্রে সকল কোডকে main() ফাংশনের অন্তর্ভূক্ত করে রাখতে হয়। আমরাও তাই করেছি।
DDRB = 255; এখানে DDRB হচ্ছে  B পোর্টের জন্য ডাটা ডাইরেকশন রেজিস্টার। DDRB একটা ৮ বিট রেজিস্টার । DDRB রেজিস্টারের  ভ্যালু হিসেবে 255 দেয়া হয়েছে অর্থাৎ বাইনারীতে 1111 1111 এই অবস্থায় পোর্ট B এর সবগুলো পিন আউটপুট হিসেবে কাজ করবে। যদি পোর্ট B এর কিছু কিছু পিন ইনপুট হিসেবে ব্যবহার করতে হয় তাহলে ঐ সকল স্থানে 0 লেখতে হবে, যেমন 1111 0000 এ ক্ষেত্রে PA0 থেকে PA3 পর্যন্ত পিন সমূহ ইনপুট হিসেবে কাজ করবে আর PA4 থেকে PA7 পর্যন্ত পিন সমূহ আউটপুট হিসেবে কাজ করবে।
while(1){} এর মাধ্যমে একটা অসীম লুপ তৈরি করা হয়েছে, যার কন্ডিশনে 1 দেয়া আছে অর্থাৎ এই লুপের কন্ডিশন যতক্ষণ আমাদের মাইক্রোকন্ট্রোলার কাজ করবে ততক্ষণ সত্য থাকবে এবং এই লুপের মধ্যে যা লেখা থাকবে তা বারবার রি-সাইকেল হবে।
PORTB = 0b11111111;   PORTB, B পোর্টের জন্য ব্যবহৃত একটা রেজিস্টার যা  ঐ পোর্টের আউটপুট অবস্থা নির্দেশ করে। PORTB = 0b11111111 দিলে PORTB এর সবগুলো পিন লজিক হাই হবে, এবং পিন সমূহে LED যুক্ত করলে জ্বলতে থাকবে।
PORTB = 0b00000000;  এর মাধ্যমে PORTB এর সবগুলো পিন লজিক লো হবে

_delay_ms(3000);  এর মাধ্যমে ৩ সেকেন্ড টাইম ডিলে তৈরি করা হয়েছে।