ভিডিও টিউটোরিয়াল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ভিডিও টিউটোরিয়াল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

অনলাইন এ আয় করার সহজতম পদ্ধতি.

অনলাইনে আয় এখন কোন স্বপ্ন নয় বরং বাস্তবতা।আইটি ক্ষেত্রে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সেই সাথে বাড়ছে ফ্রি-ল্যান্সারদের সংখ্যা। অনেকেই নতুনভাবে আগ্রহী হচ্ছেন ফ্রি-ল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং এ। সঠিক তথ্যের অভাবে অনেকেই অনলাইনে আয় করতে পারেন না। যারা নতুনভাবে ফ্রি-ল্যান্সিং শুরু করতে চাচ্ছেন তাদের জন্য এই টিউনটি।
অনলাইনে আয় নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই। বিশেষ করে তরুণদের মাঝে এ নিয়ে যেন উৎকণ্ঠা বেড়েই চলেছে। কিন্তু সমস্যা বাধে এ নিয়ে তেমন কোন ধারাবাহিক বা সঠিক তথ্য সম্বলিত কোন টিউন বা বই পাওয়া যায় না বললেই চলে। আর তাই, শুরুতেই অনেক কষ্ট করতে হয় এই পেশায় নবাগতদের। এমন সমস্যায় যদি আপনিও পড়ে থাকেন তাহলে আজকের লিখাটি বিশেষভাবে আপনার জন্যই তৈরি। এখানে আপনি অনলাইনে আয়ের বিভিন্ন পদ্ধতি সম্পর্কে অতি সংক্ষেপে কিন্তু ভালভাবে জানতে পারবেন। এর পাশাপাশি আপনি কিভাবে সামনের দিকে এগুবেন সেটিও জানতে পারবেন। তাহলে চলুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।
বাংলাদেশে প্রচলিত নতুনদের অনলাইনে আয়ের সবচেয়ে সহজ উপায় হলো পিটিসি। এ পদ্ধতিতে বিভিন্ন পিটিসি সাইটে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করে, প্রতিদিন লগ ইন করে কিছু লিংকে ক্লিক করে নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করতে হয় এবং এ থেকে আয় হয় কিন্তু ব্যাল্যান্স উত্তোলন করতে গেলেই বিপাকে পড়েন কারন অধিকাংশ পিটিসি সাইট পেমেন্ট দেয়না আর যারা পে করে তাদের আয় দিয়ে আপনি ইন্টারনেটের বিল উত্তোলন করতে পারবেন না।
তাই পিটিসিকে বাদ দিয়ে আমরা দেখবো কিভাবে সহজ উপায়ে অনলাইনে টাকা আয় করা যায়
যারা ফ্রিল্যান্সিংয়ে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী, চোখ রাখুন আমার বিভাগ ভিত্তিক তৈরি প্রতিটি টিউনে যা আপনাকে সহায়তা করবে আপনার ভবিস্যৎ ফ্রিল্যান্সিংয়ে ক্যারিয়ার গড়তে।
গত সংখ্যায় আমরা ফ্রি ব্লগিং নিয়ে বেশ কিছু আলোচনা করেছিলাম। এবং কিভাবে খুব সহজেই আপনি নিজের জন্য একটি ব্লগসাইট তৈরী করতে পারেন তা দেখেছিলাম। ওই ব্লগে আপনি পন্যের প্রচারনা করে আয় করতে পারেন। তবে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ ব্লগ সাইট নিয়মিত আপডেট করতে হয়।  আপনার ব্লগ সাইটে সবসময় নতুন নতুন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। আপনি যদি নিয়মিত আপনার ব্লগে লেখালেখি করতে না পারেন তখন অন্য লোককে দিয়ে তা করাতে পারেন।
আপনি বিভিন্ন নিবন্ধ লিখতে পারেন আর আপনার আর্টিকেল বা নিবন্ধ যতো বেশি পাঠক পড়বে, আপনি ততো বেশি টাকা আয় করতে পারবেন।
এডসেন্সের মাধ্যমে আয় রোজগার করতে পারেন কিন্তু, এখানে ইনকাম করার পূর্বে আপনাকে একটা তথ্যসমৃদ্ধ ওয়েবসাইট তৈরী করে নিতে হবে। অন্যথায় এই সেক্টরে আপনি অবহেলিত হবেন।
বাংলাদেশে ঘরে বসে ফ্রিলেন্সিং করে আয় রোজগারের একটা চমৎকার সুযোগ রয়েছে। আপনি যদি ওয়েব ডিজাইন, ডাটা এন্ট্রি, এডিটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন অথবা অনলাইন মার্কেটিং এ দক্ষতা থাকে তাহলে, আপনি অনলাইনে এসব কাজ করে আয় রোজগার করতে পারেন। আপনি চাইলে ফ্রিলেন্সিং ভিত্তিক একটা ক্যারিয়ারই গড়ে তুলতে পারেন।
তবে আজকের আলোচনার বিষয় অনলাইন মার্কেটিং। অনলাইন এ মার্কেটিং করে কিভাবে টাকা আয় করবেন তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।
ওয়েবস্কোর (waveScore) কি?
এটি একটি অনলাইন এ টাকা উপার্জনের ওয়েব সাইট যেখানে আপনি আপনার নিচে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক অথবা টিম তৈরি করে টাকা আয় করতে পারবেন।
কি পরিমান টাকা আয় করা সম্ভব?
প্রাথমিক অবস্থায় টাকা আয় করা একটু কঠিন। তবে ধীরে ধীরে আপনি আপনার নিচে টিম অথবা নেটওয়ার্ক তৈরির মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যে টাকা আয় করা শুরু করতে পারেন। একবার যদি আপনি আপনার নিচে একটি কর্মঠ টিম/নেটওয়ার্ক তৈরি করতে পারেন আপনাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হবেনা। আপনি ন্যূনত্বম মাসিক ১৫০/৩০০ ডলার আয় করতে পারেন।
কত সময় লাগতে পারে?
সময়কাল সম্পূর্ণ আপনার কাজের উপর নির্ভর করে। বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি আপনি যদি একাগ্রচিত্তে সুধু এই সাইট নিয়ে একটানা ৩ মাস কাজ করেন তাহলে আপনি ৩ মাস এর মধ্যে ডলার আয় করতে পারবেন। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি আমি প্রথম ২২/২৫ দিনে ৮০ ডলার (৬০০০ টাকা) আয় করেছি।
কিভাবে ওয়েবস্কোর থেকে টাকা হাতে পাবেন ?
ওয়েবস্কোর আপনার টিম এর কর্ম দক্ষতা যাচাই করে আপনাকে প্রতি সপ্তাহে অর্থ প্রদান করবে। ওয়েবস্কোর সাধারনত আপনাকে ক্যাশ প্রদান করবেনা। এর পরিবর্তে ওয়েবস্কোর আপনাকে বিশ্বের বিখ্যাত ৪০ এর অধিক অনলাইন শপ থেকে কেনাকাটার সুযোগ প্রদান করবে। এসব অনলাইন শপগুলোর মধ্যে amazon.comapple.com/shop,bestbuy.com সহ আরও অনেক অনলাইন শপ থেকে বিভিন্ন পণ্য খুব সহজে কিনতে পারবেন। এছাড়া প্রতিমাসে আপনার আয় যদি ২০০ ডলার এর বেশি হয় আপনি ভিসা কার্ড এর জন্য আবেদন করতে পারেন। বাংলাদেশ এর ভিসা সমর্থিত যেকোনো এটিএম বুথ থেকে আপনি টাকা তুলতে পারবেন। ত্তবে ভিসা কার্ডের একটি অসুবিধা হচ্ছে প্রতি মাসে আপনাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ ভিসা কার্ডের জন্য পরিশোধ করতে হবে।


কিভাবে কাজ করতে হয়?
এই সাইট এ কাজ একদম সহজ। মূলত আপনাকে এই সাইট এর বিজ্ঞাপন প্রচার করতে হবে। অর্থাৎ এই সাইট এ রেজিস্ট্রেশান করার মাধ্যমে আপনি আপনার নিজের একটি রেফারেল লিঙ্ক পাবেন। সেই রেফারেল লিঙ্ক ব্যবহার করে আপনাকে নতুন ইউজার এই সাইট এ সাইন আপ করাতে হবে। আপনি যত বেশি ইউজার এই সাইট এ সাইন আপ করাবেন আপনার পয়েন্ট এর পরিমান তত বাড়বে।  তাছাড়া আপনার টিম মেম্বার যদি অ্যাক্টিভ থাকে সে ক্ষেত্রে তাদের অ্যাক্টিভিটির উপর ভিত্তি করে আপনি পয়েন্ট পাবেন।  এই পয়েন্ট এর ভিত্তিতে আপনাকে ডলার প্রদান করা হবে।
কিভাবে রেজিস্ট্রেশান করতে হবে ?
এই সাইট এ সাইন আপ করার জন্য আপনাকে একটি রেফারেল লিঙ্ক ব্যবহার করতে হবে। আপনি যে কারো রেফারেল লিঙ্ক ব্যবহার করতে পারেন।
অনলাইনে আয় এখন কোন স্বপ্ন নয় বরং বাস্তবতা।আইটি ক্ষেত্রে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সেই সাথে বাড়ছে ফ্রি-ল্যান্সারদের সংখ্যা। অনেকেই নতুনভাবে আগ্রহী হচ্ছেন ফ্রি-ল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং এ। সঠিক তথ্যের অভাবে অনেকেই অনলাইনে আয় করতে পারেন না। যারা নতুনভাবে ফ্রি-ল্যান্সিং শুরু করতে চাচ্ছেন তাদের জন্য এই টিউনটি।
অনলাইনে আয় নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই। বিশেষ করে তরুণদের মাঝে এ নিয়ে যেন উৎকণ্ঠা বেড়েই চলেছে। কিন্তু সমস্যা বাধে এ নিয়ে তেমন কোন ধারাবাহিক বা সঠিক তথ্য সম্বলিত কোন টিউন বা বই পাওয়া যায় না বললেই চলে। আর তাই, শুরুতেই অনেক কষ্ট করতে হয় এই পেশায় নবাগতদের। এমন সমস্যায় যদি আপনিও পড়ে থাকেন তাহলে আজকের লিখাটি বিশেষভাবে আপনার জন্যই তৈরি। এখানে আপনি অনলাইনে আয়ের বিভিন্ন পদ্ধতি সম্পর্কে অতি সংক্ষেপে কিন্তু ভালভাবে জানতে পারবেন। এর পাশাপাশি আপনি কিভাবে সামনের দিকে এগুবেন সেটিও জানতে পারবেন। তাহলে চলুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।
বাংলাদেশে প্রচলিত নতুনদের অনলাইনে আয়ের সবচেয়ে সহজ উপায় হলো পিটিসি। এ পদ্ধতিতে বিভিন্ন পিটিসি সাইটে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করে, প্রতিদিন লগ ইন করে কিছু লিংকে ক্লিক করে নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করতে হয় এবং এ থেকে আয় হয় কিন্তু ব্যাল্যান্স উত্তোলন করতে গেলেই বিপাকে পড়েন কারন অধিকাংশ পিটিসি সাইট পেমেন্ট দেয়না আর যারা পে করে তাদের আয় দিয়ে আপনি ইন্টারনেটের বিল উত্তোলন করতে পারবেন না।
তাই পিটিসিকে বাদ দিয়ে আমরা দেখবো কিভাবে সহজ উপায়ে অনলাইনে টাকা আয় করা যায়
যারা ফ্রিল্যান্সিংয়ে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী, চোখ রাখুন আমার বিভাগ ভিত্তিক তৈরি প্রতিটি টিউনে যা আপনাকে সহায়তা করবে আপনার ভবিস্যৎ ফ্রিল্যান্সিংয়ে ক্যারিয়ার গড়তে।
গত সংখ্যায় আমরা ফ্রি ব্লগিং নিয়ে বেশ কিছু আলোচনা করেছিলাম। এবং কিভাবে খুব সহজেই আপনি নিজের জন্য একটি ব্লগসাইট তৈরী করতে পারেন তা দেখেছিলাম। ওই ব্লগে আপনি পন্যের প্রচারনা করে আয় করতে পারেন। তবে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ ব্লগ সাইট নিয়মিত আপডেট করতে হয়।  আপনার ব্লগ সাইটে সবসময় নতুন নতুন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। আপনি যদি নিয়মিত আপনার ব্লগে লেখালেখি করতে না পারেন তখন অন্য লোককে দিয়ে তা করাতে পারেন।
আপনি বিভিন্ন নিবন্ধ লিখতে পারেন আর আপনার আর্টিকেল বা নিবন্ধ যতো বেশি পাঠক পড়বে, আপনি ততো বেশি টাকা আয় করতে পারবেন।
এডসেন্সের মাধ্যমে আয় রোজগার করতে পারেন কিন্তু, এখানে ইনকাম করার পূর্বে আপনাকে একটা তথ্যসমৃদ্ধ ওয়েবসাইট তৈরী করে নিতে হবে। অন্যথায় এই সেক্টরে আপনি অবহেলিত হবেন।
বাংলাদেশে ঘরে বসে ফ্রিলেন্সিং করে আয় রোজগারের একটা চমৎকার সুযোগ রয়েছে। আপনি যদি ওয়েব ডিজাইন, ডাটা এন্ট্রি, এডিটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন অথবা অনলাইন মার্কেটিং এ দক্ষতা থাকে তাহলে, আপনি অনলাইনে এসব কাজ করে আয় রোজগার করতে পারেন। আপনি চাইলে ফ্রিলেন্সিং ভিত্তিক একটা ক্যারিয়ারই গড়ে তুলতে পারেন।
তবে আজকের আলোচনার বিষয় অনলাইন মার্কেটিং। অনলাইন এ মার্কেটিং করে কিভাবে টাকা আয় করবেন তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।
ওয়েবস্কোর (waveScore) কি?
এটি একটি অনলাইন এ টাকা উপার্জনের ওয়েব সাইট যেখানে আপনি আপনার নিচে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক অথবা টিম তৈরি করে টাকা আয় করতে পারবেন।
কি পরিমান টাকা আয় করা সম্ভব?
প্রাথমিক অবস্থায় টাকা আয় করা একটু কঠিন। তবে ধীরে ধীরে আপনি আপনার নিচে টিম অথবা নেটওয়ার্ক তৈরির মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যে টাকা আয় করা শুরু করতে পারেন। একবার যদি আপনি আপনার নিচে একটি কর্মঠ টিম/নেটওয়ার্ক তৈরি করতে পারেন আপনাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হবেনা। আপনি ন্যূনত্বম মাসিক ১৫০/৩০০ ডলার আয় করতে পারেন।
কত সময় লাগতে পারে?
সময়কাল সম্পূর্ণ আপনার কাজের উপর নির্ভর করে। বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি আপনি যদি একাগ্রচিত্তে সুধু এই সাইট নিয়ে একটানা ৩ মাস কাজ করেন তাহলে আপনি ৩ মাস এর মধ্যে ডলার আয় করতে পারবেন। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি আমি প্রথম ২২/২৫ দিনে ৮০ ডলার (৬০০০ টাকা) আয় করেছি।
কিভাবে ওয়েবস্কোর থেকে টাকা হাতে পাবেন ?
ওয়েবস্কোর আপনার টিম এর কর্ম দক্ষতা যাচাই করে আপনাকে প্রতি সপ্তাহে অর্থ প্রদান করবে। ওয়েবস্কোর সাধারনত আপনাকে ক্যাশ প্রদান করবেনা। এর পরিবর্তে ওয়েবস্কোর আপনাকে বিশ্বের বিখ্যাত ৪০ এর অধিক অনলাইন শপ থেকে কেনাকাটার সুযোগ প্রদান করবে। এসব অনলাইন শপগুলোর মধ্যে amazon.comapple.com/shop,bestbuy.com সহ আরও অনেক অনলাইন শপ থেকে বিভিন্ন পণ্য খুব সহজে কিনতে পারবেন। এছাড়া প্রতিমাসে আপনার আয় যদি ২০০ ডলার এর বেশি হয় আপনি ভিসা কার্ড এর জন্য আবেদন করতে পারেন। বাংলাদেশ এর ভিসা সমর্থিত যেকোনো এটিএম বুথ থেকে আপনি টাকা তুলতে পারবেন। ত্তবে ভিসা কার্ডের একটি অসুবিধা হচ্ছে প্রতি মাসে আপনাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ ভিসা কার্ডের জন্য পরিশোধ করতে হবে।


কিভাবে কাজ করতে হয়?
এই সাইট এ কাজ একদম সহজ। মূলত আপনাকে এই সাইট এর বিজ্ঞাপন প্রচার করতে হবে। অর্থাৎ এই সাইট এ রেজিস্ট্রেশান করার মাধ্যমে আপনি আপনার নিজের একটি রেফারেল লিঙ্ক পাবেন। সেই রেফারেল লিঙ্ক ব্যবহার করে আপনাকে নতুন ইউজার এই সাইট এ সাইন আপ করাতে হবে। আপনি যত বেশি ইউজার এই সাইট এ সাইন আপ করাবেন আপনার পয়েন্ট এর পরিমান তত বাড়বে।  তাছাড়া আপনার টিম মেম্বার যদি অ্যাক্টিভ থাকে সে ক্ষেত্রে তাদের অ্যাক্টিভিটির উপর ভিত্তি করে আপনি পয়েন্ট পাবেন।  এই পয়েন্ট এর ভিত্তিতে আপনাকে ডলার প্রদান করা হবে।
কিভাবে রেজিস্ট্রেশান করতে হবে ?
এই সাইট এ সাইন আপ করার জন্য আপনাকে একটি রেফারেল লিঙ্ক ব্যবহার করতে হবে। আপনি যে কারো রেফারেল লিঙ্ক ব্যবহার করতে পারেন।

রেজিস্ট্রেশান  লিঙ্কঃ http://www.wavescore.com/video-profile.php?u=jpmkZjxv1y&p=1
এটা আমার রেফারেল লিঙ্ক। আপনি এই লিঙ্ক এ প্রবেশ করে আপনার রেজিস্ট্রেশান সম্পন্ন করতে পারেন। রেজিস্ট্রেশান করতে সমস্যা হলে নিচের ভিডিও টি দেখতে পারেন।



ওয়ার্ডপ্রেস টিউটোরিয়াল [পর্ব-07] :: ওয়ার্ডপ্রেস থিম পরিবর্তন করা

ওয়ার্ডপ্রেস টিউটোরিয়াল [পর্ব-07] :: ওয়ার্ডপ্রেস থিম পরিবর্তন করা

গত পর্বে কিভাবে নতুন পেইজ আপডেট করবেন তা আমরা আলোচনা করেছিলাম । আজ আমি ওয়ার্ডপ্রেস এর একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো । সেটা হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস থিম পরিবর্তন করা । আশা করি আপনারা অনেকেই থিম সম্পর্কে জানেন । যারা জানেন না তাঁদের জন্য একটু সংক্ষেপে আলোচনা করি, সাধারণত ওয়ার্ডপ্রেস থিম বলতে বুঝায় ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের বাইরের ডিজাইন যা ওয়েবসাইটের স্ট্রাকচার নির্ধারণ করে । ওয়ার্ডপ্রেস থিম পরিবর্তনের মাধ্যমে আমরা আমদের ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের ডিজাইন পরিবর্তন করতে পারি । আপনি সাধারণত দুইটি পদ্ধতিতে ওয়ার্ডপ্রেস থিম ইন্সটল/পরিবর্তন করতে পারেন ।
এখন আমরা দেখবো কিভাবে আমরা আমদের ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের থিম পরিবর্তন করতে পারি । ওয়ার্ডপ্রেস এ নতুন থিম ইন্সটল করার জন্য প্রথমে Dashboard > Appearance > Themes এ যান । তাহলে নিচের চিত্রের মত দেখতে পারবেন;
এখানে আপনি আপনার থিম সমূহ দেখতে পারবেন । অর্থাৎ, আপনার ওয়ার্ডপ্রেস এ ইন্সটল করা সকল থিম এখানে দেখতে পারবেন । ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল করার পর কিছু থিম ইন্সটল করাই থাকে । এবার আমরা নতুন থিম ইন্সটল করবো । এজন্য Add New Theme বাটনে ক্লিক করুন । এবার আপনি ওয়ার্ডপ্রেস এর প্রচুর থিম পাবেন;
এবার আপনি এখান থেকে যেকোনো থিম ইন্সটল করে ব্যবহার করতে পারেন । এছাড়া, এখানে একটি সার্চ বক্স পাবেন যেখান থেকে আপনি থিম সার্চ করে ইন্সটল করতে পারেন । আপনি আপানার পছন্দের থিম খুঁজে পেতে Feature Filter অপশন ব্যবহার করতে পারেন । এজন্য Feature Filter বাটনে ক্লিক করুন তাহলে নিচের চিত্রের মত দেখতে পারবেন;
এবার এখানে আপনি বেশ কিছু ফিচার পাবেন । আপনি পছন্দ মত থিম বাছাই করতে পারবেন । যেমন; আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস এর রেসপনসিভ থিম চান তাহলে Responsive এ টিকচিহ্ন দিতে পারেন । পছন্দমত ফিচার বাছাই করে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস থিম ব্যবহার করতে পারেন ।
আপনি চাইলে ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডাউনলোড করে ইন্সটল করতে পারেন । ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডাউনলোড করতে গুগল এ সার্চ দিতে পারেন । সেখানে প্রচুর পরিমানে ফ্রি থিম পাবেন । আপনি চাইলে পেইড থিম ব্যবহার করতে পারেন । প্রিমিয়াম থিম ব্যবহার করতে হলে আপনাকে ওয়ার্ডপ্রেস থিম ক্রয় করে ব্যবহার করতে হবে । এছাড়া, আপনি চাইলে আপনি নিজেই ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট করে থিম আপলোড করতে পারেন । তবে, আপনাকে ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপার হতে হবে । ওয়ার্ডপ্রেস এ থিম আপলোড করে থিম ইন্সটল করার জন্য Upload Theme বাটনে ক্লিক করুন;
এবার নিচের চিত্রের মত দেখতে পারবেন;
এবার আপনি আপনার পছন্দের ওয়ার্ডপ্রেস থিমটি বাছাই করুন । এখন আপনাকে ওয়ার্ডপ্রেস থিমটি আপলোড করতে হবে । ওয়ার্ডপ্রেস থিম আপলোড করতে কিছু সময় লাগতে পারে । এটা আপনার ইন্টারনেট স্পীড এবং থিমের সাইজের উপর নির্ভরশীল । এবার Install Now বাটনে ক্লিক করুন;
আমি একটি  resblog নামে ওয়ার্ডপ্রেস থিম আপলোড করেছি । আপলোড সম্পূর্ণ হলে নিচের চিত্রের মত দেখতে পারবেন । আপনি চাইলে থিম Activate করার পূর্বে থিম এর প্রিভিউ দেখতে পারবেন । অর্থাৎ, থিমটি ইন্সটল করলে আপনার সাইটটি কেমন দেখাবে তা ওয়ার্ডপ্রেস থিম ইন্সটল করার পূর্বেই দেখে নিতে পারেন । এজন্য Live Preview এ ক্লিক করুন । এছাড়া, আপনি চাইলে ওয়ার্ডপ্রেস থিমটি শুধু ইন্সটল করে রাখতে পারেন । পরে, আপনার যখন ইচ্ছা থিম Activate করে ব্যবহার করতে পারবেন । এজন্য Return to Themes page এ ক্লিক করুন । আর যদি ওয়ার্ডপ্রেস থিম Activate করতে চান তাহলে Activate Theme এ ক্লিক করুন;
ওয়ার্ডপ্রেস থিম Activate হয়ে গেলে নিচের চিত্রের মত দেখতে পারবেন । এবার আপনি আপনার ওয়েবসাইটের হোম পেইজ এ যান তাহলে আপনার আপলোড করা নতুন থিমটি দেখতে পারবেন;
আবার আপনি আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করুন তাহলে নতুন থিম এর ডিজাইন দেখতে পারবেন । আশা করি বুঝতে পেরেছেন ।

ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট

আপনি চাইলে ওয়ার্ডপ্রেস এ আপনার নিজের তৈরি করা থিম ব্যবহার করতে পারেন । এজন্য আপনাকে ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট শিখতে হবে । বর্তমানে ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট এর চাহিদা বেড়েই চলছে । কেননা, ওয়ার্ডপ্রেস এখন খুবই জনপ্রিয় একটি কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম । তাই, আপনি চাইলে ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট এ আপনার ক্যারিয়ার গড়তে পারেন । ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট শিখতে আপনাকে অবশ্যই এইচটিএমএল, সিএসএস, জাভাস্ক্রিপ্ট, জেকোয়ারি এবং পিএইচপি জানতে হবে । ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট শেখার জন্য ইন্টারনেট এ প্রচুর রিসোর্স রয়েছে । ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট শিখতে প্রায় ৬ মাস সময় লাগতে পারে । তবে, আপনি শুধু এইচটিএমএল এবং সিএসএস শিখে ওয়ার্ডপ্রেস থিম কাস্টমাইজ করতে পারবেন । এক্ষেত্রে, আপনাকে ওয়ার্ডপ্রেস থিম এর গঠন সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে ।
বাংলায় পাইথন প্রোগ্রামিং

বাংলায় পাইথন প্রোগ্রামিং

সহজ কিন্তু সম্পুর্ণ একটা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হচ্ছে পাইথন। প্রোগ্রামিং শুরু করতে চাইলে এর থেকে সহজ আর কোন ল্যাঙ্গুয়েজ হতে পারে না। আবার Large Scale প্রজেক্টে এর জন্যও পাইথন সেরা একটা ল্যাঙ্গুয়েজ। পাইথন দিয়ে একই সাথে ডেস্কটপ অ্যাপ, মোবাইল অ্যাপ, ওয়েব সাইট/অ্যাপ এবং গেম ডেভেলপমেন্ট করা যায়। মেশিন লার্নিং, ডাটা সাইন্টিস্টদের পছন্দের লিস্টে রয়েছে এই পাইথন ল্যাঙ্গুয়েজ। সহজ ভাষায়ঃ One Language for Everything! ম্যাকগাইবার দেখছি না আমরা? ম্যাকগাইবার নাইফের মত।
গুগল, ইউটিউবের, Disney, Mozilla সব বড় বড় প্রজেক্টে পাইথন ব্যবহার করে। এখনকার প্রায় প্রজেক্টেই মেশিন লার্নিং এর দরকার হয়, যেমন অ্যামাজন, ফেসবুক, গুগল সহ যত টপ সাইট রয়েছে, সব গুলো সাইটই অনেক ডেটা নিয়ে কাজ করে। ভবিষ্যৎ এ আরো বেশি ডেটা নিয়ে কাজ করতে হবে। ডেটা নিয়ে কাজ করার জন্য, ডেটার উপর লজিক বসিয়ে নতুন ডেটা পাওয়ার জন্য পাইথন দারুণ একটা ল্যাঙ্গুয়েজ।
প্রোগ্রামিং, সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট এর সময় আমাদের অনেকের সাথে কাজ করতে হয়। টিমের অন্যান্য মেম্বারদের কোড দেখতে হয়, কোড পড়তে হয়। পড়ে তা বুঝতে হয়। আর পাইথন কোড গুলো সহজেই পড়া যায়। তা ছাড়া প্রোগ্রামাররা অনেক গুলো কোড লিখে সবার ব্যবহার করার জন্য শেয়ার করে। যাকে আমরা লাইব্রেরী বলি।একই কাজের জন্য আমরা নিজে নিজে আবার শুরু থেকে কোড না লিখে ঐ আগে লেখা লাইব্রেরী গুলো ব্যবহার করতে পারি। আর তখনো কোড পড়তে হয়, পাইথন অরগানাইজড হওয়াতে কোড গুলো সহজেই পড়ে বুঝা যায়।
এখানে আমরা পাইথন সম্পর্কে জানবো। জানব প্রোগ্রামিং সম্পর্কে। তারপর পাইথন দিয়ে কিভাবে সফটওয়ার তৈরি করা যায়, তা শিখব। এরপর নিজ নিজ ক্রিয়েটিভিটি প্রয়োগ করে বড় সড় সফটওয়ার, গেম বা মোবাইল অ্যাপ তৈরি করে ফেলব।
মাইক্রোকন্ট্রোলার গুরু [পর্ব-১১] ::AVR মাইক্রোকন্ট্রোলার বেসিক (পর্ব-২)

মাইক্রোকন্ট্রোলার গুরু [পর্ব-১১] ::AVR মাইক্রোকন্ট্রোলার বেসিক (পর্ব-২)

AVR মাইক্রোকন্ট্রোলার বেসিকের আজকের পর্বে থাকছে। কিভাবে একটা বেসিক বেসিক প্রোগ্রাম লেখা যায় এবং তা সিমুলেশনের মাধ্যমে হার্ডওয়্যারে লোড করে কার্যকারীতা পর্যবেক্ষণ করা যায়।

কিভাবে একটা বেসিক বেসিক প্রোগ্রাম লেখা যায়

গতপর্বে আমরা দেখেছিলাম কিভাবে একটা নতুন প্রোজেক্ট ওপেন করতে হয়। গতপর্বের দিক নির্দেশনা অনুসরণ করে একটা নতুন প্রোজেক্ট ওপেন করুন। ওপেন করার সময় Device হিসেবে atmega8 নির্বাচন করুন।
তাহলে নিচের ছবির মতো একটা  কোড উইন্ডো পাবেন।
নিচের  কোডটুকু লিখুন
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
#include <avr/io.h>
#include <util/delay.h>                // for _delay_ms()
 
int main(void)
{
DDRB = 255;                       // initialize port B
while(1)
{
 
PORTB = 0b11111111;            //Al the pins of PORTB will be high
_delay_ms(3000);                // wait 3000 milliseconds
 
PORTB = 0b00000000;                //Al the pins of PORTB will be low
_delay_ms(3000);                // wait 3000 milliseconds
 
}
}

 Build মেনু থেকে Build Solution এ ক্লিক করুন। তাহলে কম্পাইল হয়ে .hex ফাইল তৈরি হবে।
.hex ফাইলটি পাওয়া যাবে C:\Users\my\Documents\AVRStudio 5.1\avrtutorial2\avrtutorial2\Debug এর অনুরূপ লোকেশনে

কিভাবে PROTEUS এ সিমুলেশন হার্ডওয়্যার ডিজাইন করবেন, দেখে নিন


PROTEUS ISIS ওপেন করে নিচের ছবির মতো Pick from Libraries এ ক্লিক করুন।
নিচের ছবির নির্দেশনা অনুসরণ করুন। keywords এ atmega8 লিখে সার্চ করুন, এরপর নির্বাচন করুন, সবশেষে ok বাটনে ক্লিক করুন।
মাউস পয়েন্টারটি পেনসিলের আকার ধারণ করবে। একটা ক্লিক করে atmega8 ডিজাইন উইন্ডোতে নিয়ে আসুন।

এখন মাইক্রোকন্ট্রোলারটির উপর ডাবল ক্লিক করে .hex ফাইলটির লোকেশন দেখিয়ে দিন।
Play বাটনে ক্লিক করুন। নিচের ছবি অনুসরণ করুন।
তাহলে আমাদের লেখা কোডটি রান হবে।
উপরের এনিমেশনটিতে আমরা দেখতে পাচ্ছি বামদিকের PB0 থেকে PB7 পর্যন্ত যে পিন সমূহ রয়েছে একবার লজিক হাই হচ্ছে এরপর তিন সেকেন্ড অপেক্ষা করছে , তারপর লজিক লো হয়ে তিন সেকেন্ড অপেক্ষা করছে।

প্রোগ্রাম পর্যালোচনা

1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
#include <avr/io.h>
#include <util/delay.h>                // for _delay_ms()
 
int main(void)
{
DDRB = 255;                       // initialize port B
while(1)
{
 
PORTB = 0b11111111;            //Al the pins of PORTB will be high
_delay_ms(3000);                // wait 3000 milliseconds
 
PORTB = 0b00000000;                //Al the pins of PORTB will be low
_delay_ms(3000);                // wait 3000 milliseconds
 
}
}
#include <avr/io.h> এর মাধ্যমে একটা লাইব্রেরী ফাইলকে কল করা হয়েছে,যা মাইক্রোকন্ট্রোলারের ইনপুট আউটপুট পোর্ট ব্যবহার করে কাজ করার জন্য প্রোগ্রামে ব্যবহৃত হয়।
#include <util/delay.h>  এর মাধ্যমে একটা লাইব্রেরী ফাইলকে কল করা হয়েছে,যা _delay_ms() ফাংশনের মাধ্যমে সময় বিরতি তৈরি করতে প্রোগ্রামে ব্যবহৃত হয়।
int main(void){} আমরা যেহেতু প্রোগ্রামিং সি ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লিখেছি, তাই গতানুগতিকভাবে সি ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লেখার ক্ষেত্রে সকল কোডকে main() ফাংশনের অন্তর্ভূক্ত করে রাখতে হয়। আমরাও তাই করেছি।
DDRB = 255; এখানে DDRB হচ্ছে  B পোর্টের জন্য ডাটা ডাইরেকশন রেজিস্টার। DDRB একটা ৮ বিট রেজিস্টার । DDRB রেজিস্টারের  ভ্যালু হিসেবে 255 দেয়া হয়েছে অর্থাৎ বাইনারীতে 1111 1111 এই অবস্থায় পোর্ট B এর সবগুলো পিন আউটপুট হিসেবে কাজ করবে। যদি পোর্ট B এর কিছু কিছু পিন ইনপুট হিসেবে ব্যবহার করতে হয় তাহলে ঐ সকল স্থানে 0 লেখতে হবে, যেমন 1111 0000 এ ক্ষেত্রে PA0 থেকে PA3 পর্যন্ত পিন সমূহ ইনপুট হিসেবে কাজ করবে আর PA4 থেকে PA7 পর্যন্ত পিন সমূহ আউটপুট হিসেবে কাজ করবে।
while(1){} এর মাধ্যমে একটা অসীম লুপ তৈরি করা হয়েছে, যার কন্ডিশনে 1 দেয়া আছে অর্থাৎ এই লুপের কন্ডিশন যতক্ষণ আমাদের মাইক্রোকন্ট্রোলার কাজ করবে ততক্ষণ সত্য থাকবে এবং এই লুপের মধ্যে যা লেখা থাকবে তা বারবার রি-সাইকেল হবে।
PORTB = 0b11111111;   PORTB, B পোর্টের জন্য ব্যবহৃত একটা রেজিস্টার যা  ঐ পোর্টের আউটপুট অবস্থা নির্দেশ করে। PORTB = 0b11111111 দিলে PORTB এর সবগুলো পিন লজিক হাই হবে, এবং পিন সমূহে LED যুক্ত করলে জ্বলতে থাকবে।
PORTB = 0b00000000;  এর মাধ্যমে PORTB এর সবগুলো পিন লজিক লো হবে

_delay_ms(3000);  এর মাধ্যমে ৩ সেকেন্ড টাইম ডিলে তৈরি করা হয়েছে।