নেটওয়ার্কিং লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
নেটওয়ার্কিং লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
নেটওয়ার্কের জন্য জটিল থেকে জটিলতর এবং মারাত্বক একটি সফটওয়্যার হল Net Tools

নেটওয়ার্কের জন্য জটিল থেকে জটিলতর এবং মারাত্বক একটি সফটওয়্যার হল Net Tools

আজ আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি নেটওয়ার্কিং এর উপর মারাত্বক নতুন একটি সফটওয়্যার,যার নাম Net Tools। এই সফটওয়্যার নিয়ে এর আগে কোনো টিউন হয়ে ছিল কিনা আমার জানা নেই।
তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে শুরু করছি সফটওয়য়্যারটি সম্পর্কে টিউন।
নেট টুলস হলো নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারীদের জন্য কাজ দ্রুত করার জন্য কিছু বেসিক নেটওয়ার্ক  টুলস সম্বলিত সফটওয়য়্যার।এই সফটওয়য়্যারটি মূলত মাইক্রোসফট ভিসুয়াল বেসিক 6, ভিজ্যুয়াল সি + +, ভিজুয়াল সি # এবং  ভিসুয়াল স্টুডিও দেয়া লেখা হয়েছে।এই সফটওয়য়্যারটি  Internet এবং Local Area Networks(LAN) এর cutting-edge security এবং network monitoring এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। নেটওয়ার্ক স্ক্যান, নিরাপত্তা, ফাইল সিস্টেম, এবং নেটওয়ার্ক নির্ণয়ের ও সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেটরদের জন্য আপনার পিসি এবং কম্পিউটার এর নেটওয়ার্ক সংযোগ নিরীক্ষণ করার সবচেয়ে বিশ্বস্ত টুলস।এটা দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য শক্তিশালী নেটওয়ার্ক টুলস,যেগুলো প্রতিনিয়ত ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
এই সফ্টওয়্যার মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম (উইন্ডোজ ৮,৭ , এক্সপি, ভিস্তা) জন্য নির্মিত হয়েছে. ব্যবহারকারীদের জন্য ১৭৫++ দরকারী টুলস রয়েছে।
এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টুলসের একটি তালিকা দেয়া হলো:
1) IP Address Scanner
2) IP Calculator
3) IP Converter
4) Port Listener
5) Port Scanner
6) Ping
7) NetStat (2 ways)
8) Trace Route (2 ways)
9) TCP/IP Configuration
10) Online - Offline Checker
11) Resolve Host & IP
12) Time Sync
13) Whois & MX Lookup
14) Connect0r
15) Connection Analysator and protector
16) Net Sender
17) E-mail seeker
18) Net Pager
19) Active and Passive port scanner
20) Spoofer
21) Hack Trapper
22) HTTP flooder (DoS)
23) Mass Website Visiter
24) Advanced Port Scanner
25) Trojan Hunter (Multi IP)
26) Port Connecter Tool
27) Advanced Spoofer
28) Advanced Anonymous E-mailer
29) Simple Anonymous E-mailer
30) Anonymous E-mailer with Attachment Support
31) Mass E-mailer
32) E-mail Bomber
33) E-mail Spoofer
34) Simple Port Scanner (fast)
35) Advanced Netstat Monitoring
36) X Pinger
37) Web Page Scanner
38) Fast Port Scanner
39) Deep Port Scanner
40) Fastest Host Scanner (UDP)
41) Get Header
42) Open Port Scanner
43) Multi Port Scanner
44) HTTP scanner (Open port 80 subnet scanner)
45) Multi Ping for Cisco Routers
46) TCP Packet Sniffer
47) UDP flooder
48) Resolve and Ping
49) Multi IP ping
50) File Dependency Sniffer
51) EXE-joiner (bind 2 files)
52) Encrypter
53) Advanced Encryption
54) File Difference Engine
55) File Comparasion
56) Mass File Renamer
57) Add Bytes to EXE
58) Variable Encryption
59) Simple File Encryption
60) ASCII to Binary (and Binary to ASCII)
61) Enigma
62) Password Unmasker
63) Credit Card Number Validate and Generate
64) Create Local HTTP Server
65) eXtreme UDP Flooder
66) Web Server Scanner
67) Force Reboot
68) Webpage Info Seeker
69) Bouncer
70) Advanced Packet Sniffer
71) IRC server creater
72) Connection Tester
73) Fake Mail Sender
74) Bandwidth Monitor
75) Remote Desktop Protocol Scanner
76) MX Query
77) Messenger Packet Sniffer
78) API Spy
79) DHCP Restart
80) File Merger
81) E-mail Extractor (crawler / harvester bot)
82) Open FTP Scanner
83) Advanced System Locker
84) Advanced System Information
85) CPU Monitor
86) Windows Startup Manager
87) Process Checker
88) IP String Collecter
89) Mass Auto-Emailer (Database mailer; Spammer)
90) Central Server (Base Server; Echo Server; Time Server; Telnet Server; HTTP Server; FTP Server)
91) Fishing Port Scanner (with named ports)
92) Mouse Record / Play Automation (Macro Tool)
93) Internet / LAN Messenger Chat (Server + Client)
94) Timer Shutdown/Restart/Log Off/Hibernate/Suspend/ Control
95) Hash MD5 Checker
96) Port Connect - Listen tool
97) Internet MAC Address Scanner (Multiple IP)
98) Connection Manager / Monitor
99) Direct Peer Connecter (Send/Receive files + chat)
100) Force Application Termination (against Viruses and Spyware)
101) Easy and Fast Screenshot Maker (also Web Hex Color Picker)
102) COM Detect and Test
103) Create Virtual Drives
104) URL Encoder
105) WEP/WPA Key Generator
106) Sniffer.NET
107) File Shredder
108) Local Access Enumerater
109) Steganographer (Art of hiding secret data in pictures)
110) Subnet Calculater
111) Domain to IP (DNS)
112) Get SNMP Variables
113) Internet Explorer Password Revealer
114) Advanced Multi Port Scanner
115) Port Identification List (+port scanner)
116) Get Quick Net Info
117) Get Remote MAC Address
118) Share Add
119) Net Wanderer
120) WhoIs Console
121) Cookies Analyser
122) Hide Secret Data In Files
123) Packet Generator
124) Secure File Splitting
125) My File Protection (Password Protect Files, File Injections)
126) Dynamic Switch Port Mapper
127) Internet Logger (Log URL)
128) Get Whois Servers
129) File Split&Merge
130) Hide Drive
131) Extract E-mails from Documents
132) Net Tools Mini (Client/Server, Scan, ICMP, Net Statistics, Interactive, Raw Packets, DNS, Whois, ARP, Computer's IP, Wake On LAN)
133) Hook Spy
134) Software Uninstaller
135) Tweak & Clean XP
136) Steganographic Random Byte Encryption
137) NetTools Notepad (encrypt your sensitive data)
138) File Encrypter/Decrypter
139) Quick Proxy Server
140) Connection Redirector (HTTP, IRC, ... All protocols supported)
141) Local E-mail Extractor
142) Recursive E-mail Extractor
143) Outlook Express E-mail Extractor
144) Telnet Client
145) Fast Ip Catcher
146) Monitor Host IP
147) FreeMAC (MAC Address Editor)
148) QuickFTP Server (+user accounts support)
149) NetTools Macro Recorder/Player (Keybord and Mouse Hook)
150) Network Protocol Analyzer
151) Steganographic Tools (Picture, Sounds, ZIP Compression and Misc Methods)
152) WebMirror (Website Ripper)
153) GeoLocate IP
154) Google PageRank Calculator
155) Google Link Crawler (Web Result Grabber)
156) Network Adapter Binder
157) Remote LAN PC Lister
158) Fast Sinusoidal Encryption
159) Software Scanner
160) Fast FTP Client
161) Network Traffic Analysis
162) Network Traffic Visualiser
163) Internet Protocol Scanner
164) Net Meter (Bandwidth Traffic Meter)
165) Net Configuration Switcher
166) Advanced System Hardware Info
167) Live System Information
168) Network Profiler
169) Network Browser
170) Quick Website Maker and Web Gallery Creator
171) Remote PC Shutdown
172) Serial Port Terminal
173) Standard Encryptor
174) Tray Minimizer
175) Extra Tools (nmap console & win32 version)
এটা পোর্টেবল সফ্টওয়্যার।ইন্সটলের ঝামেলা নেই।
সাইজঃ৩৭.৫০মেগাবাইট
সফ্টওয়্যারটির ডাওনলোড লিঙ্কঃ মিডিয়াফায়ার
অথবা

তাহলে আর দেরী না করে ডাওনলোড করে নিন.
আসুন জানি, নেটওর্য়াক টেকনোলজির ভাষায় PING কি?

আসুন জানি, নেটওর্য়াক টেকনোলজির ভাষায় PING কি?

আমরা অনেকেই ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার করি। তিনটি tram এ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটকে প্রকাশ করা হয়। এগুলো হল:
1. আপলোড স্পিড
2. ডাউনলোড স্পিড
3. পিং [PING]
আপলোড স্পিড, ডাউনলোড স্পিড সম্পর্কে আমরা সবাই মোটামোটি জানি। আজকে PING নিয়ে একটু আলোচনা করবো।

একটা সিগন্যাল পাঠালে তা যত সময়ের মধ্যে আবার প্রেরণকারীর নিকট ফিডব্যাক নিয়ে ফিরে আসে সেই সময়কে PING বলা হয়। এর একক হলো ms [Milli second]. যেমন, আমার ব্রডব্যান্ড লাইনের PING হল 15ms. এর অর্থ হল, 15 মিলি সেকেন্ড এর মধ্যে আমি ব্যাক রেসপন্স পাচ্ছি।
আমার অবস্থা হল

এটি একটি networking utility. ping বড় একটি বিষয়। এখানে সামান্য করে আলোচনা করা হল।
এটা নেটওয়ার্ক টেকনোলজির পরিভাষা। ওয়েব টেকনোলজিতে PING অন্য বিষয়।
Windows Server 2008 এর উপর বাঙলা pdf. [Trial Version]

Windows Server 2008 এর উপর বাঙলা pdf. [Trial Version]

আসসালামু আলাইকুম। আশা করছি সবাই ভাল আছেন। যদিও দেশের অবস্থার সাপেক্ষে ভাল থাকার কথা না।
কাজের কথায় আশা যাক। যারা হার্ডওয়্যার & নেটওয়ার্কিং নিয়ে কাজ করে তাদের জন্য সার্ভার বিষয়টা জানা আবশ্যক। তাই নেটওয়ার্কিং নিয়ে যারা কাজ করতে চাইছেন, তাদের জন্যই আজকের এই টিউন। বিট বাইট টেকনোলজির সহযোগীতায় আমি ও  আমার বন্ধুবর তাহসিন এর অক্লান্ত পরিশ্রমে প্রায় একমাস পর প্রকাশ করতে যাচ্ছি Windows server 2008 এর উপর বাঙলা পিডিএফ বইটি।  Windows Server 2008 এর উপর ফ্রি কোন বাংলা পিডিএফ আমার নজরে আসে নাই। আশা করছি সবার উপকারে আসবে।

বইটি পড়ে যা যা জানতে পারবেন:

১. সার্ভার কি? কেন?
২. Windows Server এবং Linux Server সম্পর্কে আলোচনা।
৩. Windows Server 2008 এর আলোচনা।
৪. Windows Server 2008 ইনষ্টল দেওয়ার পদ্ধতি।
৫. Server Manager সম্পর্কে আলোচনা।
৬. Role এবং Feature সম্পর্কে আলোচনা।
৭. Active Directory Domain Services কি? কেন?
৮. Client Computer সংযুক্ত করে তাকে নিয়ন্ত্রন করার প্রক্রিয়া।
৯. DNS ও DHCP সার্ভার সম্পর্কে আলোচনা।
১০. প্রিন্ট কি এবং Install করার প্রক্রিয়া।
১১. ওয়েভ সার্ভার কি? কেন? Install করার প্রক্রিয়া। [বিস্তারিত]
১২. রিমোট ডেস্কটপ কি? কেন? Settings করার প্রক্রিয়া।
যারা হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্কিং নিয়ে কাজ করতে চাইছেন বা করেন তাদের কাছে লাগবে। বিশেষ করে যারা পলিটেকনিকে পড়ালেখা করছেন তাদের জন্য বইটি জরুরী। সার্ভার অনেক বড় একটি বিষয়। এটি সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান নিতে হলে অধিক অনুশীলন ও Curiosity  এর বিকল্প নাই। এখানে মৌলিক বিষয়গুলোর প্রাথমিকভাবে আলোচনার করা হয়েছে। ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইল।

CCNA বা নেটওয়ার্কিং সেক্টরেও রয়েছে বড় ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ

CCNA বা নেটওয়ার্কিং সেক্টরেও রয়েছে বড় ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ

CCNA বর্তমানে সময়োপযুগী একটি ক্যারিয়ার বান্ধব প্রফেসনাল কোর্স। নেটওয়ার্কিং এর ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী হলে এ কোর্সের বিকল্প নাই। যারা অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্র্রহী না , অফিস চাকুরী যাদের জন্য খুব বেশি প্রয়োজন তাদের জন্য নেটওয়ার্কিং শিখার পরামর্শ দিব। শুধু নেটওয়ার্কিং শিখলেই হবেনা, সেই সাথে CCNA সার্টিফিকেটটিও অর্জন করতে হবে। আর এ সার্টিফিকেটটি থাকলে বাংলাদেশে সবচাইতে টপ চাকুরী সেক্টরগুলোতেই(ব্যাংক, টেলিকমিউনিকেশন, টিভি চ্যানেল, কর্পোরেট কোম্পানী) চাকুরীর ব্যাপারে আপনার চাহিদা তৈরি হবে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, এসব বড় বড় সেক্টরগুলো নেটওয়ার্কিং এক্সপার্ট হিসেবে ঢুকতে হলে অ্যাডুকেশন ব্যাকগ্রাউন্ডটা খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ না। যেকোন সেক্টরে গ্রাজুয়েট হলেই হবে। শুধু CCNA সার্টিফিকেটটা থাকতে হবে।
cloud-networking
যেকোন কোর্স করার পরিকল্পনার শুরুতে তার ভবিষ্যত কি, সেটা আগে জেনে নিয়ে তারপর কোর্সের জন্য ইনভেস্ট করা উচিত।

জানাবো, CCNA কোর্স শিখে কাজের সেক্টরঃ

১) টেলিকমিউনিকেশন সেক্টর:

বাংলাদেশে বর্তমানে ৭টি মোবাইল কোম্পানী এবং কয়েকটি বেসরকারী ল্যান্ডফোন কোম্পানী রয়েছে। এগুলোতে কিছু অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সেকশন ছাড়া ৭০% লোককেই হতে হয় নেটওয়ার্কিং বিষয়ে দক্ষ। এ ক্ষেত্রে সব জায়গাতেই CCNA সার্টিফাইড লোককেই শুধু ইন্টারভিউয়ের জন্য আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়।
এসব জায়গাতে আমার যে সকল বন্ধুরা চাকুরি করছেন, তাদের কাছে শুনলাম, একজন CCNA সার্টিফাইড লোককে এসব সেক্টরে চাকুরীতে শুরুর দিকে বেতন দেওয়া হয় ২০,০০০ টাকা – ৩০,০০০টাকা।  এ বেতন দক্ষতা অনুযায়ি ১লাখ- ৩লাখ টাকা পযন্ত হয়ে থাকে।

২) টিভি চ্যানেলের আইটি বিভাগ:

প্রতিটি টিভি চ্যানেলের আইটি বিভাগ থাকে। আমরা টিভিতে যে ভিডিওগুলো দেখি তা দেখতে পাওয়ার পিছনে গুরু দায়িত্ব পালন করে থাকে টিভি চ্যানেলের আইটি বিভাগের নেটওয়ার্কিং টীম। এছাড়া পূরো অফিসের ভিতরের ইন্টারন্যাল নেটওয়ার্কিংটাও তাদের কাজ। ক্রিয়েটিভ আইটিতে যোগ দেওয়ার আগে আমি এনটিভিতে জয়েন করি। তাই সেখানের বেতনের ব্যাপারগুলোতে ধারণা দিতে পারব। সেখানের আইটি বিভাগে প্রায় ২০ জনের টীম। প্রত্যেকে সিসিএনএ সার্টিফাইড। CCNA সার্টিফাইড ছাড়া কেউ সেখানে চাকুরীর জন্য আবেদন করতেই পারবেনা। সেই পোস্টে এন্ট্রি লেভেলের বেতন হয়ে থাকে ১৫,০০০টাকা -২০,০০০টাকা। যারা আরেকটু অভিজ্ঞ তাদের বেতন ৬০,০০০টাকা – ৭০,০০০টাকাও দেখেছি।

৩) ব্যাংকের আইটি বিভাগ:

বাংলাদেশের মানুষদের জন্য সবচাইতে আকাংখিত চাকুরীর সেক্টরগুলোতে সবার প্রথমেই থাকে ব্যাংক। তারপর আসে টেলিকমিউনিকেশন সেক্টর, তারপর টিভি চ্যানেল। প্রতিটি ব্যাংকে প্রচুর নেটওয়ার্কিং এক্সপার্ট থাকে। আর তারাই ব্যাংকে ডাটা সেন্টার, অনলাইন ব্যাংকিং, বুথ , কার্ড ডিভিশনগুলো মেইনটেইন করে। বিশাল সংখ্যক নেটওয়ার্কিং এক্সপার্ট প্রয়োজন একটি ব্যাংকের জন্য। আমার ১জন বন্ধু ব্রাক ব্যাংকের কার্ড সেকশনে রয়েছে। তার এ চাকুরীটির জন্য আলাদাভাবে CCNA কোর্স সম্পন্ন করে সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে হয়েছে। তার বেতন শুরু হয়েছিল ২০,০০০টাকা দিয়ে। এখন ৫বছর পর সে পাচ্ছে ৪০,০০০টাকা।
images3-a

৪। আইএসপি কোম্পানী:

যারা ইন্টারনেট সার্ভিস কোম্পানী তাদেরকে বলে আইএসপি কোম্পানী। যেহেতু এসব কোম্পানী ইন্টারনেট সার্ভিস দেয়। সুতরাং বুঝা যাচ্ছে, এসব প্রতিষ্ঠানে শুধুমাত্র নেটওয়ার্কিং এক্সপার্টরাই চাকুরী করতে পারে। এসব প্রতিষ্ঠানগুলোতেও চাকুরীর জন্য CCNA সার্টিফিকেট ছাড়া কোন প্রকার আবেদন করার সুযোগ নাই। এসব প্রতিষ্ঠানে চাকুরীর শুরুতে বেতন হয় ১৫,০০০টাকা-২০,০০০টাকা। দক্ষতা অর্জনের সাথে বেতনও অনেক বাড়তে থাকে।

৫। বিভিন্ন ডাটা সেন্টারঃ

বাংলাদেশেও এখন ডাটা সেন্টার তৈরি হচ্ছে। ইতিমধ্যে পত্রিকার কল্যানে জেনেছি বাংলাদেশের গাজীপুরে হাইটেক পার্কের আওতাধীন ডাটাসেন্টার তৈরি হচ্ছে, যা বিশ্বে ৫ম বৃহৎ ডাটা সেন্টার। এ ডাটা সেন্টারের জন্য বিশাল সংখ্যক নেটওয়ার্কিং এক্সপার্টের চাকুরির ব্যবস্থা হবে। শুধু তাই নয়, সেটার কাজ শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশের তরুনদের মধ্যে নেটওয়ার্কিং শিখার এবং CCNA সার্টিফাইড হওয়ার ধুম পড়ে যাবে। এদেশে ইতিমধ্যে অনেকগুলো ছোট ছোট ডাটা সেন্টার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। সেসব প্রতিষ্ঠানেও প্রচুর নেটওয়ার্কিং এক্সপার্টের প্রয়োজন রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে এন্ট্রি লেভেলের বেতন ধরা হয় ২০,০০০টাকা। অভিজ্ঞদের বেতন ১লাখ টাকা পযন্ত হয়ে থাকে।

৬। কর্পোরেট কোম্পানীর আইটি বিভাগঃ

খুব কম অফিস আছে যেগুলো ইন্টারনেট ছাড়া কিংবা কম্পিউটার ছাড়া চালানো সম্ভব। যে সব অফিসে ১৫টা কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের ব্যবহার রয়েছে সেসব কোম্পানীতেই নেটওয়ার্কিং এক্সপার্ট প্রয়োজন রয়েছে। প্রতিটা গার্মেন্টস কোম্পানী থেকে শুরু করে মোটামুটি বড় প্রতিটা কোম্পানীতেই কয়েকজন নেটওয়ার্কিং এক্সপার্ট প্রয়োজন। কোম্পানী কত বড়, সেটির উপর বেতন নির্ভর করে এসব নেটওয়ার্কিং এক্সপার্টদের। আমার চাচাতে ভাই প্রাণ কোম্পাণীতে নেটওয়ার্কিং এক্সপার্ট হিসেবে চাকুরী করত। সেটি তার ১ম চাকুরী ছিল। সেখানে তাকে বেতন দেয় ১৫,০০০টাকা্। এখানে চাকুরীর জন্য তাকে CCNA সার্টিফিকেটসহ আবেদন করতে হয়েছিল।
উপরে শুধুমাত্র লোকাল চাকুরীর কথাগুলো উল্লেখ করলাম। অনলাইনেও নেটওয়ার্কিং বিষয়ক জব রয়েছে এগুলোর চাহিদাও ব্যাপক।

নেটওয়ার্কিং সম্পর্কিত কাজ শিখে অনলাইনে আয়ঃ

মার্কেটপ্লেসে এ সম্পর্কিত কাজ করে এরকম কয়েকজনের প্রোফাইল লিংক শেয়ার দিচ্ছি।
এ লিংকগুলো ভিজিট করে দেখুন, তাদের ঘন্টা অনুযায়ি রেট কত? তাহলেই আউটসোর্সিংয়ের ক্ষেত্রে চাহিদা বোঝা যাবে সহজে। ইল্যান্সে বর্তমানে নেটওয়ার্কিং সম্পর্কিত কতগুলো কাজ আছে সেটি জানার জন্য https://www.elance.com/trends/skills_central এ যেতে হবে।
networking_job

উন্নত দেশগুলো CCNA  সার্টিফাইডদের জন্য চাকুরীর স্বর্গভুমি

আবার যারা অন্যদেশে যাচ্ছেন ১টা ভাল ক্যারিয়ার গড়ার উদ্দেশ্যে। তারা যাওয়ার আগে CCNA সার্টিফাইড হয়ে তারপর যেতে পারেন। অনেক ভাল একটা অবস্থান তাহলে তৈরি করতে পারবেন। আমাদের দেশ থেকে যারাই অন্যদেশে যায়, তারা সাধারণত স্কীলড চাকুরিগুলো করেনা। কিন্তু যদি CCNA বিষয়ে স্কীলড হয়ে তারপর যেয়ে থাকেন, তাহলে খুব ভাল একটা চাকুরি খুব সহজেই যোগাড় করতে পারবেন। বেতন কিরকম হতে পারে, সেটি আমি এখানে উল্লেখ করবনা। চাকুরীর বিজ্ঞাপনের লিংক শেয়ার করব।
১) মালয়শিয়াতে চাকুরীর বিজ্ঞপ্তিঃ
২) আমেরিকাতে চাকুরীর বিজ্ঞপ্তিঃ
৩) সিংগাপুরে চাকুরির বিজ্ঞপ্তিঃ
সময়টাকে নষ্ট না করে নিজেকে স্কীল করে রাখুন। তাহলে বেকার হিসেবে ভবিষ্যতে কান্না করতে হবেনা। বর্তমান বিশ্ব শুধুমাত্র স্কীলব্যক্তিদেরকেই চিনে। অদক্ষ ব্যক্তির দিকে করুণা করে অনেকে তাকাতে পারে, কিন্তু সেটুকু পযন্ত।  নিজেকে দক্ষ হিসেবে প্রস্তুত না করার ব্যাপারে হয়তা আপনার অনেক ধরনের তুচ্ছ কারণ থাকতে পারে। সেকারণগুলো আপনার নিজের জন্যই ক্ষতি বয়ে নিয়ে আসবে। 

চলুন জেনে নি নেটওয়ার্কিং সম্পর্কে যা আমাদের সকলের জানা উচিৎ

দৈনন্দিন জীবনে আমরা নেটওয়ার্ক কথাটি শুনে থাকি । নেটওয়ার্ক হলো এমন এক সিস্টেম যেখানে সবাই মিলে তথ্য শেয়ার করা যায় বা একসাথে কাজ করা যায় যেমন ধরা যাক ডাক বিভাগ সারাদেশ ব্যাপী চিঠি বিলি  করে থাকে।এর জন্য ডাক বিভাগের  আছে  সারাদেশব্যাপী  নেটওয়ার্ক। তাদের এ নেটওয়ার্কে বিভিন্ন স্থানে  বিভিন্ন অফিস রয়েছে রয়েছে কিছু নিয়ম কানুন সেই নিয়মকানুন মেনেই  পুরো  ডাক বিভাগ চলছে। এখানে তাদের নেটওয়ার্ক প্রতিটি অংশ একসাথে কাজ করছে। ডাকবিভাগের যদি একধরনের নেটওয়ার্ক না থাকে তাহলে তারা কাজ করতে পারবে না। শুদু ডাক বিভাগ কেন আমার যদি কুরিয়ার  সার্ভিস এর কথা চিন্তা করি তাহলে দেখতে পায় যে তাদের প্রত্যেকটি জেলায় কিছু সংখ্যক অফিস  আছে  তারা একে অনন্যার সাথে সংযুক্ত । সংযুক্ত থাকার কারনে তারা এক জেলা থেকে আরেক জেলায় জিনিস  পত্র  আদান -প্রদান করতে পারছে।
কম্পিউটার এর ক্ষেত্রেও এধরনের নেটওয়ার্ক ব্যাবহার করা যায় ।  একটি কম্পিউটার যখন এক বা একাধিক কম্পিউটার এর সাথে  সংযুক্ত হয়ে তথ্য আদান- প্রধান  করে তখন  বলা যায়  সেই কম্পিউটারটি নেটওয়ার্কের অংশ ।নেটওয়ার্ক  করার জন্য নুন্যতম দুটি কম্পিউটার দরকার পরবে । এসব কম্পিউটার পরস্পর তথ্য আদান - প্রদানের  জন্য বিশেষভাবে বিশেষ ডিভাইসের মাধ্যমে একটি আরেএকটির সাথে যুক্ত  হয়। এ ছাড়া এক কম্পিউটার অন্য কম্পিউটারের সাথে কিভাবে যোগাযোগ গড়বে, কি হবে তাদের ভাষা ইত্যাদি নিয়েমকানুন আগেই নির্দিষ্ট করা থাকে।
নিচের  তথ্যগুলো  পেতে আমাকে  ব্লগ,উইকিপিডিয়া,গুগল ,ইউটিউব সাহায্য করেছে ।
আজকের টিউনে আমি আপনাদের সাথে নেটওয়ার্কিং এর যে বিষয় গুলো শেয়ার করবো তা নিচে  নিন্মে দেয়া হলঃ

  • নেটওয়ার্কিং  এর মুল ধারনা
  • নেটওয়ার্কের উৎপওি
  • নেটওয়ার্ক এর প্রকারভেদ
  • ইন্টারনেট এর উৎপওি
  • ওয়াইফাই (wifi)
  • মডেম (Modem)
  • ব্লুটুথ (Bluetooth)
  • নেটওয়ার্কিইং এ ব্যাবহৃত কেবল ,ডিভাইস  ও নেটওয়ার্ক ভিওিক অপারেটিং সিস্টেম এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
  • নেটওয়াকিং এর কাজের চাহিদা যে সব সেক্টরে
  • রিসোর্স শেয়ার

                                        নেটওয়াকিংএর মুল ধারনা


আমাদের দৈনন্দিন  কাজসমূহকে সহজ করার জন্যই নেটওয়ার্ক ব্যাবহার করা হয় । দুটি কম্পিউটারকে যখন নেটওয়ার্কে নিয়ে আসা হয় তখন আমরা প্রধান  যে সুবিধা পাই তা হলো  দুইটি কম্পিউটার পরস্পরের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে। রিসোর্স বলতে এখানে তথ্য এবং হার্ডওয়্যার ডিভাইস দুটোই বোঝায়। এক কম্পিউটারে রক্ষিত ডাটা বা তথ্য অন্য কম্পিউটার থেকে  দেখা যেতে  পারে যদি  সেই  তথ্য শেয়ার করা থাকে এবং উপযুক্ত  পারমিশন দেয়া হয়।। তেমনি এক কম্পিউটারের  সাথে  যুক্ত  হার্ডওয়্যার ডিভাইস ,যেমন  - প্রিন্টার,সিডিরম ড্রাইভ, হার্ডডিস্ক স্পেস,ইত্যাদি অন্য কম্পিউটারের  সাথে শেয়ার  করা যেতে পারে।তার মানে আপনার  নেটওয়ার্কে  একটি  প্রিন্টার ত্থাকলে  নেটওয়াকের সব মেশিন সেটি ব্যাবহার করতে পারবে। তেমনি সিডিরম  ড্রাইভ  থাকলে অন্য  কম্পিউটার থেকেও টা ব্যাবহার করতে  পারবে  । নেটওয়ার্ককিং এর প্রদান সুবিধা এটি,এবং এর জন্যই লোকে নেটওয়ার্ক ব্যাবহার করে। কেবল হার্ডডিস্ক কিংবা ডিভাইস শেয়ার নয় । মুল গুরুত্ব দেয়া হয় তথ্য শেয়ারইং এর ওপর।

নেটওয়ার্ক ব্যাবহার আগে

নেটওয়ার্ক ব্যাবহার আগে এক কম্পিউটারের সাথে আরেক কম্পিউটারের তথ্য বিনিময়ের তেমন সুবিধা ছিল না । যেমন ধরা যাক আপনি একটি ওয়ার্ড ডকুমেন্ট তৈরি করলেন কোনো  কোন একটি কম্পিউটারে যার সাথে প্রিন্টার সংযুক্ত নেই । এখন  সেই ডকুমেন্টকে  প্রিন্ট  দিতে চাইলে এমন  কম্পিউটারে  যেতে হবে যেখানে প্রিন্টার  যুক্ত আছে । সেই ফাইলটি ওই প্রিন্টারযুক্ত  মেশিনে নেয়ার জন্য সাধারনত ফ্লপি ডিস্ক {এইখানে আরও একটি  কথা বলে নি  সে  সময় কিন্তু পটেবল হার্ডডিস্ক বা পেনড্রাইভ এর প্রচলন ছিল না}ব্যাবহার করা হয়। প্রথম কম্পিউটার থেকে সেই ফাইল ফ্লপিতে কপি  করে দ্বিতীয় কম্পিউটারে  নিতে হবে এবং সেখান থেকে প্রিন্ট দিতে হবে। এরকম সবাই যদি প্রিন্ট দিতে চায়  তাহলে তা খুবই অসুবিধাজনক পরিস্থিতির দিকে মোড় নেবে । এভাবে ফ্লপি ব্যাবহার করে এক কম্পিউটার থেকে  আরেক কম্পিউটারে  যাওয়ার  পদ্ধতিকে  বাঙ্গ করে বলা স্নিকারনেট (Sneakernet) । এই স্নিকারনেটের অসুবিধা  থেকে বাঁচার জন্য  অনেক  সময় প্রত্যেক কম্পিউটারের সাথে ভিন্নভাবে ডিভাইস দেয়া হতো । এইটি ছিল  ব্যয়বহুল।

নেটওয়ার্কের উৎপওি


নেটওয়ার্ক জগতে প্রযুক্তি খুব দ্রত পরিবর্তন হচ্ছে । এই পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলা সত্যিই দুরহ হয়ে পড়ে । তবে এইসব পরিবর্তন সম্পর্কে প্রতিটি  নেটওয়ার্ক  পেশাজীবির সজাগ থাকা দরকার।
প্রথম দিকের নেটওয়ার্ক ছিল মাইনফ্রেম ভিওিক। কম্পিউটারের প্রথম দিকে মেইনফ্রেম কম্পিউটার সাথে যুক্ত থাকত বিভিন্ন  টার্মিনালল । এই মেইনফ্রেমের সাথে যুক্ত হওয়ার লাইন অনেকসময় বেশ দীর্ঘ হতো,অনেক দুর থেকে সেসব মেইনফ্রেমে যুক্ত হওয়া  যেত ।দুটি নেটওয়ার্ক থেকে আজকের এই আধুনিক নেটওয়ার্কের জন্ম  প্রথম দিকের একটি নেটওয়ার্ক হুল সেমি অটোমেটিক  গ্রাউন্ড  এনভায়ারনমেন্ট (SAGE)  যা যুক্তরাজ্য  এবং কানাডার  বিভিন্ন  রাডার ষ্টেশনের সরকারি কম্পিউটারসমূহকে  যুক্ত করার জন্য  ব্যবহৃত  হয়েছিল।এইটি করা  হয়েছিল  ১৯৫৮ সালে । এর পর  ১৯৬০ সালে ম্যাসাচুসেটস ইন্সিটিউট আব টেকনোলজি'র  গবেষকরা  আইবিএম  মেইনফেম কম্পিউটার কমপিটিবল  টাইম শেয়ারিইং সিস্টেম  (CTSS) পদ্ধটি উদ্ভাবন করলেন।এই টাইম শেয়ারিং পদ্ধতির ফলে একই  মেইনফ্রেম কম্পিউটারে একাধিক  ব্যাবহারকারি  একাধিক  কাজ একই সময়ে  করতে সক্ষম হলো । এর পর সাথে যুক্ত হলো মডেম যাতে ব্যাবহারকারিরা ডায়াল করে এতে যুক্ত হতে পারে। ।
বাণিজ্যিক  ভিওিতে  প্রথম ডায়াল আপ সার্ভিস ব্যাবহার করা হয়েছিল আমেরিকান এয়ারলাইন্সের নেটওয়ার্কে ১৯৬৪ সালে ।আইবিএম এর রিজাভেশন  সিস্টেম  ৬৫টি শহরের ২০০০  কম্পিউটারকে  যুক্ত  করেছিল  কেবল  দুটি আইবিএম  মেইনফ্রেম  ও টেলিফোন  লাইন ব্যাবহার  করে।  এখানে প্রতিটি  শহরের  টার্মিনালের  মাধ্যমে ব্যাবহারকারীরা  রিজাভেশন  সম্পর্কিত  অনুসন্ধান  চালাতে পারতো ।বিভিন্ন কোয়েরি প্রসেস  করা হতো  কেন্দ্রের মেইনফ্রেম কম্পিউটারে । যেকোন ফ্লাইট  সম্পর্কিত তথ্য তিন সেকেন্ড মধ্যে পাওয়া যেত এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ।
ষাট ও সওুর দশকের নেটওয়ার্কসমূহ মেইনফ্রেম ভিওিক  হওয়ায় এতে সকল প্রসেসিং চলত মেইনফ্রেমে । এর সাথে বিভিন্ন  স্থান  থেকে টার্মিনাল  যোগ করা হতো ।  এরপর এলো ইথারনেটে ।  হাভাড ইউনিভাসিটিটির ছাত্র রবার্ট মেটাকাফ  তার পিএসডি  থিসিসের  মধ্যে প্রথম ইথারনেট নেটওয়ার্ক ALOHANET । আজকের দিনে সবচেয়ে জনপ্রিয় নেটওয়ার্ক হলো এই ইথারনেট (Ethernet) ।

ইন্টারনেট এর উৎপওি এবং ইতিহাস

সব ইউনিভার্সিটি ও প্রায়ভেট কোম্পানিগুলি যখন মেইনফ্রেমের মাধ্যমে তাদের নেটওয়ার্ককে বিস্তৃত করার চেষ্টায় রত সেসময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ  নিজস্ব নেটওয়ার্ক গড়ার মনোনিবেশ করে । ষাটের দশকের প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রের  প্রতিরক্ষা  বিভাগ  অ্যাডভান্সড রিসার্চ প্রজেক্ট  এজেন্সি (ARPA) নামে একটি প্রকল্প হাতে নেয় যার উদ্দেশ্য  ছিল এমন এক  কম্পিউটার  নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা যাতে যুদ্ধের  সময় ও  এক সামরিক ঘাঁটি থেকে আরেক সামরিক ঘাঁটির সাথে যোগাযোগ অবিচ্ছিন্ন থাকে  এই নেটওয়ার্কে  বলা হয় অরপানেট । বছর দশেকের মধ্যে এটি কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়কে যুক্ত  করে ফেলে এবং  ১৯৭১ সালের মধ্যে এর ২৩টি  নোড প্রতিষ্ঠিত হয় । এসময়  এ নেটওয়ার্কের প্রধান ব্যাবহার ছিল ইলেকট্রনিক  মেইল আদান -প্রদান ।
আশি দশকে আরপানেট  বৃদ্ধি  পেতে থাকল এবং ১৯৮৯ সালে এসে এটি  দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে গেল । জনগণের  জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হল ইন্টারনেট , আর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর  জন্য রইল ডারপানেট । ইন্টারনেটের জন্ম  এই আরপানেট থেকেই ।
ইন্টারনেট আমাদের দেখিয়েছে কিভাবে বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে যুক্ত করা যায়  এবং গোটাবিশ্বকে একই নেটওয়ার্কে অন্তভুক্ত করা যায় । ইন্টারনেট  কেবল একটি নেটওয়ার্ক নয় ।এটি হল নেটওয়ার্কসমূহের নেটওয়ার্ক পৃথিবীর সবচেয়ে বড় নেটওয়ার্ক হলো এই ইন্টারনেট । ইন্টারনেট ব্যাপক বিস্তৃতিতে এটি নিশ্চিত যে ভবিষ্যৎতে  প্রতিটি ডিভাইস এ নেটওয়ার্কএ ডিভাইসে এ নেটওয়ার্কে যুক্ত হবে । ইন্টারনেট সম্পর্কে আরও জানতে আমার একটি টিউন আছে সেটি এই লিংক  গিয়ে দেখে আসতে পারেন

নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ


নেটওয়ার্ক কাজ ও গঠনের ধরন অনুসারে নেটওয়ার্ককে প্রধান তিনভাগে  ভাগ করা যেতে পারে ।
  •  লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
  •  মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক
  • ওয়াড এরিয়া  নেটওয়ার্ক

লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক


আমাদের দৈনন্দিন জীবনে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা Lan -ই ব্যাবহার করে থাকি । ছোট - মাঝারি  অফিস - আদালত ও  ব্যবসা  ও বাণিজ্য এ নেটওয়ার্ক ব্যাবহার করা হয় । এর মূল উদ্দেশ্য  থেকে ডিভাইসসমূহের  পস্পরের মধ্যে তথ্য এবং রিসোর্স শেয়ার করা  । সহজ ভাবে  বলতে  গেলে একই ঘরে বা কাছাকাছি ঘরে একাধিক কম্পিউটারকে নেটওয়ার্ক কার্ড এবং কেবল এর মাধ্যমে কানেক্টইং এর আওতায় আনা বা নেটওয়ার্ক করাকেই Local Area Network (Lan)বলে ।এতে করে একটি কম্পিউটারকে অন্য একটি কম্পিউটার এর হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার রিসোর্স শেয়ার করতে পারে । হার্ডওয়্যারের মধ্যে যেমন - প্রিন্টার , সিডি রম এবং হার্ডডিস্ক ড্রাইভ শেয়ার করতে পারে ।  আবার সফটওয়্যার এর মধ্যে অ্যাপ্লিকেশান,উটিলিটি এবং ফাইল সমূহ ।
নেটওয়ার্ক এর বড় সুবিধা এই যে, একই রিসোর্স একই  সময়ে  দুই তিনজন ব্যাবহারকারী ব্যাবহার করতে পারে। এছাড়া লেন এ দামি যন্ত্র-পাতি যেমন Large Hard-disk এবং Laser Printer share করা যেতে পারে ।
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলোঃ

  • এসব নেটওয়ার্ক ছোট এলাকায়,যেমন একই বিল্ডিং এর মধ্যে , ব্যাবহার করা হয়।
  • এসব নেটওয়ার্ক উচ্চগতি, সাধারনত  ১০ এমবিপিএস, পাওয়া যায়।
  • এর  মাধ্যমে অনেক ডিভাইস এসসেস  পাওয়া যায়।
  • এ ধরনের নেটওয়ার্কে ল্যানের উপযোগী বিশেষ ডিভাইস যেমন রিপিটার,হাব, নেটওয়ার্ক ইনটারফেস কার্ড  ইত্যাদি ব্যাবহার করা  যায় ।

 মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক


মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক বা Man একাধিক লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা লেন এর সমন্বয়ে  গড়ে ওঠে। এক্ষেত্রে  ল্যান সমূহ  থাকে  একই শহরে । এধরনের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বেশ উচ্চগতিতে বিভিন্ন নেটওয়ার্ক  তাদের তথ্য শেয়ার করতে পারে । বিভিন্ন সরকারি অফিস এর প্রধান ব্যাবহারকারি । যেমন ধরা যাক ঢাকা শহরের  প্রতিটি পুলিশ ষ্টেশনের নেটওয়ার্ককে নিয়ে গড়ে তোলা  হলো  একটি নেটওয়ার্ক । তাহলে এটি  হবে মেট্রোপলিটন  এরিয়া নেটওয়ার্ক  বা MAN  । ওয়াড এরিয়া নেটওয়ার্ক  থেকে এর পাথক্য  হলো  এই যে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কে গতি  কম থাকে , কিন্তু মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কে আমরা বেশ উচ্চগতি পেতে পারি । এটি  বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন অফিসকে যুক্ত করার জন্য ব্যাবহার  করা হতে পারে । এবং ৫০ থেকে ৭৫  মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত  হতে পারে ।
মেট্রোপলিটন  এরিয়া নেটওয়ার্কের বৈশিষ্টসমূহ হলোঃ
  • মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্কে যুক্ত বিভিন্ন সাইট একই শহরে অথবা এর আশপাশ নিয়ে বিস্তৃত  থাকে।
  • মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্কে মাধ্যমে মেগাবিট পার সেকেন্ড ( এমবিপিএস ),এমনকি কোন  কোন ক্ষেত্রে গিগাবিট পার সেকেন্ড জিবিপিএস পাওয়া যেতে পারে
  • এর মাধ্যমে একাধিক ল্যানের মাঝে একটি গড়ে সংযোগ গড়ে উঠে।
  • এ ধরনের নেটওয়ার্ক বিভিন্ন ডিভাইস , যেমন - রাউটার ,টেলিফোন,এটিএম সুইচ এবং মাইক্রোওয়েভ এন্টেনা ব্যাবহার করে থাকে ।

ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক

বিস্তৃত ভৌগলিক এলাকায় অবিস্থত একাধিক LaN বা  Man কে নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক । এ ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে টেলিফোন কোম্পানি ক্যাবল ব্যাবহার করে । সে কারনে ওয়াইড  এরিয়া নেটওয়ার্ক ধীরগতির হয়ে  থাকে ।    বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গড়ে  ওঠে বলে বিভিন্ন ল্যান ও ম্যাকে সংযুক্ত করার জন্য বিশেষ ডিভাইস ও টেকনোলজি ব্যাবহার করা হয় । ল্যানের  চেয়ে  Wan গঠনের পরিকল্পনা সত্যি বেশ  কঠিন । এটি  ম্যানেজ  করা ও কঠিন । যদি গোটা বিস্বজুড়ে কোন LAN গড়ার দরকার পড়ে তাহলে অনেক ক্ষেএেই স্যাটেলাইট ব্যাবহার করা হয়। একটি কথা  বলে রাখি {**** বিভিন্ন দুরবতী শহরে অবিস্থত ল্যানকে যোগ করার জন্য স্যাটেলাইট ব্যাবহার করা হয় । ****} 
বেশিরভাগ ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক ৫৬ কেবিপিএস থেকে ১.৫৪৪ এমবিপিএস গতিতে কাজ করে । এতে  সবোচ্চ গতি হতে পারে ৪৫ এম বিপিএস । ওয়ানকে ধীরগতির  বলা হলেও ধীরে ধীরে  এর পরিবর্তন হচ্ছে ।
ওয়াড এরিয়া নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্যসমূহ হলোঃ
  • এসব নেটওয়ার্ক বিশাল এলাকা জুড়ে গড়ে উঠতে পারে , এমনকি এর   বিস্তৃত  গোটা বিশ্বজুড়ে হতে পারে ।
  • এগুলি ল্যানের চেয়ে সাধারনরত ধীর গতির হয়ে থাকে ।
  • ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কে অবশ্যই কোন ইন্টারনেটওয়াকিং ডিভাইস যেমনঃ মডেম , ওয়ান সুইচ ইত্যাদি ব্যাবহার করতে হয় ।
যদি ও ওপরে নেটওয়ার্কে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে তবে এই গুলো হল নেটওয়ার্ক এর বিশেষ অংশ তবে  বর্তমানে  নেটওয়ার্কে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে বললে বোকামি  হবে ।

আমারা বর্তমান সময়ের দিকে একটু  নজর দিলে দিলে দেখতে পায়  আমাদের চার পাশে LAN,WAN,MAN ছাড়া  আরও ৫ ধরনের নেটওয়ার্ক আছে তা হলঃ
  • পার্সোনাল নেটওয়ার্ক।
  • স্টোরেজ এরিয়া নেটওয়ার্ক ।
  • ভার্চুয়াল প্রায়ভেট নেটওয়ার্ক ।
  • ব্লুটুথ ।
  • ওয়ারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক  বা ওয়াইফাই,মডেম ।

পার্সোনাল নেটওয়ার্ক

 
PAN হল একটি ব্যাক্তিগত  নেটওয়ার্ক অর্থাৎ একজন ব্যাক্তি ঘরোয়া ভাবে ক্ষুদ্র পরিসরে যে নেটওয়ার্ক স্থাপন করে তাই হল পার্সোনাল নেটওয়ার্ক বা PAN.
কম্পিউটারের সাথে মোবাইল ফোন ডাটা ক্যাবল এর মাধ্যমে সংযুক্ত, টেলিফোন বা  দুটি কম্পিউটার এর সাথে    ল্যা ন  মাধ্যমে  ডাটা আদান প্রদান করা বা অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসের মধ্যকার নেটওয়ার্ক একধরনের পারসোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক । শুধু কম্পিউটার নয়, দুইটি মোবাইল ফোনের  মাঝে ব্লুটুথ  দিয়ে ডাটা  ট্রান্সফারের সময় যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয় তাও পারসোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) । তাই ক্ষুদ্র পরিসরে সীমাবদ্ধ একাধিক ডিজিটাল ডিভাইসের মধ্যকার নেটওয়ার্ককেই পারসোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা যাবে ।
পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক এর আরও দুটি সুন্দর উদাহরণ হল ডাটা ক্যাবল ধরুন আপনি ডাটা ক্যাবল দিয়ে আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থেকে ডাটা কালেক্ট করছেন  এটি একটি পার্সোনাল নেটওয়ার্ক এর বৈশিষ্ট্য ।পারসোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক তারযুক্ত এবং তারবিহীন হতে পারে ।তারবিহীন নেটওয়ার্ক হলে তাকে ওয়্যারলেস পারসোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) বলা হয়ে থাকে ।ব্লুটুথ (Bluetooth)  এবং ওয়াইফাই এবং ইনফ্রারেড ডাটা এসোসিয়েশন (IrDA) ওয়্যারলেস পারসোনাল এরিয়ার নেটওয়ার্কের একটি উদাহরণ ।

স্টোরেজ এরিয়া নেটওয়ার্ক 


SAN এর  ফুল meaning হল SAN-Storage Area Network  । এইটিকে বাংলায় স্টোরেজ এরিয়া নেটওয়ার্ক  বলা  হয়ে  থা কে। এইটই এক ধরনের ডেডিকেটেড নেটওয়ার্ক, যা ল্যান (লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক) এবং ওয়ান (ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক) থেকে   অনেকটা আলাদা। স্যান হচ্ছে একটি উচ্চগতির সাব-নেটওয়ার্ক, যা বিভিন্ন স্টোরেজ ডিভাইসকে যুক্ত করে। স্টোরেজ ডিভাইস হচ্ছে একটি যন্ত্র, যা ডাটা স্টোর করে। এটি এক বা একাধিক ডিস্ক নিয়ে গঠিত হতে পারে।এটি বিভিন্ন সার্ভারের সাথে সংযুক্ত ডাটা স্টোরেজ রিসোর্সকে যুক্ত করে শুধু স্টোরেজ ডিভাইসের একটি পৃথক নেটওয়ার্ক তৈরি করে। স্যানের জন্য বিশেষ ধরনের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়। স্যান হার্ডওয়্যার এমনভাবে তৈরি, যা বিভিন্ন স্টোরেজ মিডিয়ার মধ্যে দ্রুতগতিতে ডাটা ট্রান্সফার করতে পারে। আর স্যান সফটওয়্যারের কাজ হচ্ছে স্যান কনফিগারেশন, ব্যবস্থাপনা এবং পর্যবেক্ষণ করা।

ভার্চুয়াল প্রায়ভেট নেটওয়ার্ক


VPN হলো একটি একটি ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (VPN) যা  ইন্টারনেট এর মত একটি পাবলিক নেটওয়ার্ক জুড়ে একটি ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক প্রসারিত করে। ভাগাভাগি করা অথবা ব্যাক্তিগত নেটওয়ার্ক জুড়ে ডাটা পাঠাতে এবং গ্রহন করতে এটা সক্রিয় একটি কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সক্রিয় ডিভাইসে ব্যাবহার উপযোগী ব্যাবস্থা যা সরাসরি Privat Network সাথে সংযুক্ত করা হয়।ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক এর কার্যকারিতা, নিরাপত্তা এবং পরিচালনার নীতির জন্য তাই এই নেটওয়ার্ক অনেক বেশি কার্যকারী।একটি ভিপিএন স্বীকৃত সংযোগ, ভার্চুয়াল টানেলিং প্রোটোকল, বা ট্রাফিক এনক্রিপশন ব্যবহারের মাধ্যমে একটি ভার্চুয়াল পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট সংযোগ স্থাপন করে তৈরি করা হয়।ওপেন ভিপিএন এবং আইপি সেক ব্যাবস্থার মাধ্যমে ভিপিএন নেটওয়ার্ক বাস্তবায়িত হয়।ইন্টারনেট জুড়ে একটি VPN সংযোগ ওয়েবসাইটের মধ্যে একটি ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN) লিঙ্ক এর অনুরূপ।একটি ব্যবহারকারী দৃষ্টিকোণ থেকে, বর্ধিত নেটওয়ার্ক রিসোর্স প্রাইভেট নেটওয়ার্কের মধ্যে উপলব্ধ রিসোর্স হিসাবে একই ভাবে ব্যবহার করা হয় VPN এর মত আরও একটি নেটওয়ার্ক আছে তা হল MVPN অর্থাৎ Mobile Virtul  Private Network।

 মডেম(Modem)

মডেম হচ্ছে এক ধরনের Signal Converter যাহা কম্পিউটার এবং Telephone Network এর মধ্যে যোগাযোগ করতে সহায়তা করে মডেম শব্দটি Modulation/DEmodulation হতে  নেয়া হয়েছে  Modem - এর নাম হতেই বুঝা যায় যে Modem Modulator এবং Demodulator হিসেবে কাজ করে ।
চলুন  Modulation/DEmodulation এর সম্পর্কে বিস্তারিত জানি :

Modulation : কম্পিউটার এ Digital signal (0,1) ব্যাবহার করে DATA Transmission এর সময় Modulation দরকার কারন Telephone  network এ Digital signal (0,1) Accept করে না । Modulator এই  Digital signal কে Analog Signal or Tone এ Convert করে । যা Telephone Cable এর মাধ্যমে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় Transmitte করে থাকে।
Demodulation : Demodulation হচ্ছে Modulation এর উল্টো Process .Network এর প্রান্তে Modulation এর মাধ্যমে Digital signal (0,1) কে Analog Signal এ Convert করে এবং অন্যপ্রান্তে Demodulator Analog Signal কে Digital Signal (0,1) কনভারট করে । এই Modulation এবং Demodulation প্রক্রিয়াটি যে যন্ত্রের সাহায্যে সম্পন্ন করে তাহাই Modem নামে পরিচিত।
বর্তমানে ইন্টানাল ও এক্সটানল মডেম ছাড়া USB MODEM,PCMCIA And Cable Modem,DSL MODEM, Wirless Modem,GPRS And EDGE Modem পাওয়া  যায় ।

ওয়াইফাই(WI-FI)


WLAN এর পুরো নাম হচ্ছে  ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক  একে আমরা ওয়াইফাই বলে চিনি । বা বলা যায় ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক  এর একটি অংশ হল ওয়াইফাই ।
একটি নির্দিষ্ট এলাকা বা একই ভবন, পাশাপাশি অবস্থিত বাড়ি ঘর অথবা একটি অফিস/আদালত বা এপার্টমেন্টে অবস্থিত কমপিউটারসমূহ, প্রিন্টার ও অন্য কোন বিশেষ ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মধ্যে ক্যাবল এর  পরিবর্তে বা তারবিহীন ভাবে ডাটা এক্সচেঞ্জ করা যায় তাকে ওয়ারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WLAN) বলে।
উপরের ছবিটি একটি ব্রডব্যান্ড লাইন থেকে অনেক গুলো কমপিউটারে বা ল্যাপটপে বা স্মার্ট ফোনে ইন্টারনেট কানেকশনের  জন্য একটি ওয়ারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক স্থাপন করতে হবে । এই ধরনের নেটওয়ার্কে তৈরি করতে  প্রয়োজন একটি মডেম ও একটি ওয়ারলেস রাউটার । যে কোন কমপিউটারে ওয়্যারলেস এডাপটার অথবা ওয়্যারলেস কার্ড ইন্সটল থাকলে এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইন্টারনেট কানেকশন শেয়ার করা যায় ।

ওয়াইফাই এর সংক্ষিপপ্ত  ইতিহাস


১৯৯০ সালের পরবর্তী সময়গুলো তারবিহীন তথা ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং এর যাত্রা শুরু হয়। যদিও এর সূত্রপাত কাল হিসেবে ধরা যায় ১৮০০ এর পরবর্তী সময়গুলোকে। প্রখ্যাত জোতির্বিজ্ঞানী এবং সঙ্গীতশিল্পী স্যার উইলিয়াম হার্শেল (১৭৩৮-১৮২২) ইনফ্রারেড ক১৯৯১ সালে এ টি এন্ড টি কর্পোরেশনের সাথে এন সি আর কর্পোরেশন ৮০২.১১ আবিষ্কার করেন। ৮০২.১১ ই পরবর্তীতে ওয়াইফাই নামে পরিচিত হয়।  ১৯৯১ সালে আবিষ্কৃত হওয়ার পর ওয়াইফাই কে ওয়াইফাই বলা হতো না। ১৯৯৯ সালের আগস্টে ওয়াইফাই এলিয়েন্স ইন্টারব্র্যান্ড কর্পোরেশন নামে একটা ব্র্যান্ড কনসাল্টিং কোম্পানিকে “আই ত্রিপল ই ৮০২.১১বি ডিরেক্ট সিকোয়েন্স” এর বদলে অন্য কোন সুন্দর আকর্ষণীয় একটা নাম দেয়ার জন্যে কিনে নেয়া  হয়। তখন আই ত্রিপল ই ৮০২.১১বি ডিরেক্ট সিকোয়েন্স কে ওয়াইফাই নামকরণ করে ইন্টারব্র্যান্ড কর্পোরেশন আর তখন থেকেই ওয়াইফাই নামেই পরিচিত  হয়।

ওয়াইফাই হট স্পট কি জিনিস ?

একটি ওয়াইফাই রয়টার/একসেস পয়েন্ট/এন্টিনার মাধ্যমে কোন বিশেষ স্থানে যখন ওয়ারলেস ইন্টারনেট কানেকশনের সুবিধা প্রদান করা হয় তখন সেই স্থানকে Hot Spot বলা হয়। যেমন ওপরের ছবিতে আমরা দেখতে পাচ্ছি  বাড়ির ভিতরে বেশ কয়টি ওয়াইফাই রায়উটার আছে এবং প্রতিটি ইন্টারনেট এর সাথে সংযুক্ত ।

ওয়াইফাই জোন কখন বলা হয় ?


একাধিক একসেস পয়েন্ট/এন্টিনার মাধ্যমে সৃষ্ট হটস্পটগুলোকে সমন্বয় করে যখন বড় এলাকা ভিত্তিক একটি ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক তৈরি হয় তখন সেই এলাকাকে Wi-Fi Zone বলা হয়।

মোবাইল ব্রডব্যান্ড VS ওয়াইফাই হটস্পট



মোবাইল ব্রডব্যান্ডঃ

মোবাইল ব্রডব্যান্ড সেবা সাধারণত মোবাইল ফোনের কোম্পানীগুলো দিয়ে থাকে। প্রায় সব জায়গা থেকে (মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক) মোবাইল ফোন বা ওয়ারলেস মডেমের সাহায্যে ইন্টারনেটে সংযুক্ত হওয়া যায়। এছাড়া একদেশ থেকে অন্য দেশে গেলে মোবাইল ব্রডব্যান্ড সার্ভিস কাজ করে না, যদি কাজ করে তবে চার্জ হয় খুবই বেশী।
ওয়াইফাই হটস্পটঃ

ওয়াইফাই হটস্পটে এই সুযোগ একটি সীমিত এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। ইদানীং বড় বড় শহরের বাস/ট্রেন স্টেশন, শপিং সেন্টার গুরুত্বপূর্ণ এলাকাসমূহে ওয়াইফাই জোন সৃষ্টি করা হচ্ছে। মোবাইল ব্রডব্যান্ড সার্ভিসের মাসিক চার্জ বেশী। তাই নিজস্ব ল্যাপটপ বা মোবাইল ফোন থেকে প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য ওয়াইফাই হটস্পট থেকে ইন্টারনেট কানেকশন সস্তা । বর্তমান সময়ে বাজারে আসা সব ল্যাপটপেই ওয়াইফাই সুবিধা পাওয়া যায়, তাছাড়া প্রায় সবগুলো স্মার্টফোনই এখন ওয়াইফাই সমৃদ্ধ । বিনামূল্যে ভালো স্পিডের ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্যে ওয়াইফাই সবার কাছেই বেশ জনপ্রিয়। তাই আমরা ইদানিং ওয়াইফাই জোন এর দিকে ঝুকছি ।

ব্লুটুথ (Bluetooth)


টেকনোলজির ভাষায়  ব্লুটুথ হচ্ছে এক ধরণের তারহীন প্রোটোকল। যা বর্তমান  মোবাইলে, এছাড়াও ডেক্সটপ , ল্যাপটপ কম্পিউটার, পিডিএ, ডিজিটাল ক্যামেরা , স্কানার, প্রিন্টার, হ্যাডফোন ইত্যাদি ডিভাইস গুলোতে খুবই জনপ্রিয়। ব্লুটুথের নামকরণ করা হয় ৯০০ অব্দের ডেনমার্কের রাজা হেরাল্ড ব্লুটুথ এর নামে। ব্লুটুথ সাধারণত ১০ মিটার রেঞ্জের মাঝে কাজ করে তবে  এর রেঞ্জ ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যায়।
ব্লুটুথ এর  ইতিহাস:  ১৯৯৪ সালে সুইডিশ কোম্পানি ‘এরিক্সন’ সর্বপ্রথম ব্লুটুথ টেকনোলজি উদ্ভাবন করে। এরপর ১৯৯৮ সালে কিছু গ্রুপ অফ কোম্পানি একসাথে ব্লুটুথ টেকনোলজি নিয়ে কাজ করতে সম্মত হয়।  এই কোম্পানিগুলোই Bluetooth Special Interest Group (SIG) নামে একটি সংঘটন গড়ে তোলে যার লক্ষ্য ছিল ব্লুটুথ টেকনোলজি নিয়ে কাজ করা। অর্থাৎ ব্লুটুথ কোন নির্দিষ্ট কোম্পানির ছিলনা অনেকে বিজ্ঞানী এর সাথে যুক্ত ছিলেন।
ব্লুটুথ  এর স্পীড

ভার্সন ১.২ এর স্পীড ১ মেগাবিটস/সেকেন্ড
ব্লুটুথ ২.০ এর সর্বোচ্চ ডাটা স্পীড ছিল ৩ এমবিপিএস। আর এখনকার স্মার্টফোন গুলোতে ব্যবহৃত ব্লুটুথ ৩.০ এর সর্বোচ্চ ডাটা স্পীড হচ্ছে ২৪ এমবিপিএস বা আরও বেশি হতে পারে।
ব্লুটুথ একইসাথে ৮ টি ডিভাইসের মাঝে সংযোগ স্থাপন করতে পারে ।
ব্লুটুথের ট্রান্সমিটার প্রতি সেকেন্ডে ১৬০০ বার ফ্রিকোয়েন্সি (তরঙ্গ )পরিবর্তন করে ।
ব্লুটুথের সেন্ডিং সিগন্যাল পাওয়ার ১ মিলি-ওয়াট যেখানে মোবাইল ফোনের সেন্ডিং সিগন্যাল পাওয়ার ৩ মিলি-ওয়াট ।
রেঞ্জ
ক্লাস ৩ রেডিয়াস – রেঞ্জ ১ মিটার বা ৩ ফুট।
ক্লাস ২ রেডিয়াস – রেঞ্জ ১০ মিটার বা ৩৩ ফুট। সাধারণত মোবাইল ফোন গুলোতে ব্যবহৃত।
ক্লাস ১ রেডিয়াস – রেঞ্জ ১০০ মিটার বা ৩০০ ফুট। সাধারণত ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যবহৃত।
ব্লুটুথ টেকনোলজিকে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী করে ডিজাইন করা হয়েছে। বহুল ব্যবহৃত ব্লুটুথ ক্লাস ২ রেডিয়াস ২.৫ মিলি-ওয়াট বিদ্যুৎ ব্যাবহার করে।
মোবাইল থেকে মোবাইলে ডাটা আদান প্রদানের ক্ষেত্রে ব্লুটুথ হচ্ছে সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি। আর তাই বর্তমান যুগে ব্লুটুথ খুবই জনপ্রিয়।এই প্রযুক্তিতে খুব কম বিদ্যুৎ খরচ হয়। এটি ক্ষুদ্র পাল্লার বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে প্রয়োগ করা হয়।

নেটওয়ার্কিং এ ব্যাবহৃত কেবল ,ডিভাইস  ও নেটওয়ার্ক ভিওিক অপারেটিং সিস্টেম এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

 
 
নেটওয়ার্কিং করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ক্যাবল ব্যবহার করা হয় যেমনঃ কোএক্সিয়াল ক্যাবল,ট্যুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল,ফাইবার অপটিক ক্যাবল,প্যাচ ক্যাবল,ইন্টারনেট ক্রসওভার ক্যাবল ।
ক্যাবল ছাড়া নতুন একটি নেটওয়ার্কইং কমিউনিটি তৈরি করতে নিচের ডিভাইস গুলোর প্রয়োজন পরে ।
ওপরের বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছে টিউনার তিতাস সরকার আপনারা এই লিংক গিয়ে দেখে আসতে পারেন ।
এখন আমরা জানব নেটওয়ার্ক ভিওিক অপারেটিং সিস্টেম (NOS)সম্পর্কে
নেটওয়ার্কিং এ যে সব অপারেটিং সিস্টেম ব্যাবহার করা হয় সেগুলো কোন সাধারণ আপারেটিং সিস্টেম নয় ।সে অপারেটিং গুলোর সাথে  যুক্ত আছে বিশেষ  বিশেষ সব টেকনোলজি ।এই ধরনের অপারেটিং সিস্টেম কে বলা হয় নেটওয়ার্কিং অপারেটিং সিস্টেম  (NOS) ।কয়েকটি বহুল ব্যাবহৃত নেটওয়ার্কিং অপারেটিং সিস্টেম হল  ইউনিক্স,নভেল,নেটওয়্যার,উইন্ডোজ এনটি, উইন্ডোজ ২০০০/২০০৩/ ২০০৮, ও লিনাক্স (ফিডোরা,রেডহ্যাট,উবুন্টু,ডেবিয়ান,ফ্রিবিএসবি,নেটবিএসডি, ইত্যাদি)বিভিন্ন নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে পার্থক্য থাকলেও  এদের মূল বৈশিষ্ট্য একই - সবই নেটওয়ার্কের উপযোগি ।

  নেটওয়াকিং এর কাজের চাহিদা যে সব সেক্টরে



  • আইএসপি কোম্পানী
  • টিভি চ্যানেলের আইটি বিভাগ
  • ব্যাংকের আইটি বিভাগ
  • টেলিকমিউনিকেশন সেক্টর
  • ডাটা সেন্টা
  • কর্পোরেট কোম্পানীর আইটি বিভাগ
  • উন্নত দেশ যেমনঃ আমেরিকা,মালয়শিয়া, সিংগাপুর ইত্যাদি
  • এছাড়া বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেস ।

    রিসোর্স শেয়ার

সত্যি কথা বলতে বাংলায় নেটওয়াকিং বা CNNA এর রিসোর্স খুব কম আমি নেটে অনেক সার্চ করেছি তেমন রিসোর্স পাই নি। আপনারা যারা নেটওয়াকিং সম্পর্কে জানতে চান তারা নিচের Ebook ও টিউটোরিয়াল গুলো দেখতে পারেন ।

ভিডিও টিউটোরিয়াল

টিউনার তিতাস সরকার
এই কোর্সটি বর্তামানে চলমান আছে আপনারা যোগ দিতে পারেন টিউনার তিতাস সরকার এর সাথে
kushal kabi

আমার দেখা মতে বাংলায়  নেটওয়ার্কিইং এর ওপর সব থেকে সুন্দর এবং রিসার্চফুল  রিসোর্স ।

                  (ই-বুক) E-book

ই -বুক গুলো ডাউনলোড করতে ছবি গুলোর ওপর ক্লিক করুন


আপনারা নেটে সার্চ করলে  ইংরেজিতে নেটওয়ার্ক এর ওপর আরও অনেক রিসোর্স পাবেন ।
ধন্যবাদ সবাইকে টিউনটি পড়ার জন্য।

Symphony এর সকল স্টক রম ডাউনলোড করুন।

আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি সিম্ফনির প্রায় সব মোবাইলের স্টক রম। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ফোনে কাস্টম রম ইউজ করেন কিন্তু সমস্যা হল কাস্টম রম ইন্সটল দেওয়ার সময় অনেকেই তাদের ডিফল্ট রমের ব্যাকাপ রাখতে ভুলে যান, পরবর্তিতে যখন নতুন রম পছন্দ না হয় তখন আগের রমে ফিরে যাওয়ারও কোনো উপায় থাকেনা। যেমনটি আমার সাথেও হয়েছে। অনেকে আবার গুতাগুতি করে ফোনই ব্রিক করে ফেলেন তারপর সোজা সার্ভিস সেন্টার, আর আমাদের সার্ভিস সেন্টার মানে তো বুঝেনই!! ফোন দিয়ে আসলে সেটা কবে পাবো তাঁর কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই। যাহোক, আজকের টিউনটি থেকে আপনারা  সেইসব ঝামেলা থেকে একটু হলেও মুক্তি পাবেন আশা রাখি।
তাহলে আর দেরি কেন! যার যেই মডেলের রম লাগে নীচ থেকে নামিয়ে নিতে পারেন।
আপনাদের সুবিধার জন্য Google Drive এর লিঙ্ক দিচ্ছি। 

Symphony H100 Stock Rom

  • country: all
  • version: Android 4.4.2
  • rom size: 801 mb
  • DOWNLOAD

Symphony P8 Stock Rom

  • country: all
  • version: Android 4.2.1
  • rom size: 718 mb
  • DOWNLOAD

Symphony P10 Stock Rom

  • country: all
  • version: Android 4.4.2
  • size: 849 mb
  • DOWNLOAD

Symphony T7 Stock Rom

  • country: all
  • version: Android 4.0.4
  • rom size: 417 mb
  • DOWNLOAD

Symphony T7i Stock Rom

  • country: all
  • version: Android 4.0.4
  • rom size: 417 mb
  • DOWNLOAD

Symphony T7 Pro Stock Rom

  • country: all
  • version: 4.2.2
  • rom size: 726 mb
  • DOWNLOAD

Symphony T8 Stock Rom

  • country: all
  • version: Android 4.2.2
  • rom size: 375 mb
  • DOWNLOAD

Symphony T8i Stock Rom

  • country: all
  • version: Android 4.0
  • rom size: 431 mb
  • DOWNLOAD

Symphony T8q Stock Rom

  • country: all
  • version: Android 4.2.1
  • rom size: 724 mb
  • DOWNLOAD

Symphony W5 Stock Rom

  • country: all
  • version: Android 2.3
  • rom size: 175 mb
  • DOWNLOAD

Symphony W12 Stock Rom

  • country: all
  • version: Android 2.3
  • rom size: 159 mb
  • DOWNLOAD

Symphony W15 Stock Rom

  • country: all
  • version: Android 2.3
  • rom size: 174 mb
  • DOWNLOAD

Symphony W15i Stock Rom

  • country: all
  • version: Android 4.2.2
  • rom size: 288 mb
  • DOWNLOAD

Symphony W16 Stock Rom

  • country: all
  • version: Android 4.2.2
  • rom size: 431 mb
  • DOWNLOAD
Symphony W18 Stock Rom
  • country: all
  • version: Android 4.2.2
  • rom size: 360 mb
  • DOWNLOAD

Symphony W20 Stock Rom

  • country: all
  • version: Android 2.3
  • rom size: 239 mb
  • DOWNLOAD

Symphony W21 Stock Rom

  • country: all
  • version: Android 4.2.2
  • rom size: 317 mb
  • DOWNLOAD

Symphony W22 Stock Rom

  • country: all
  • version: Android 4.2.2
  • rom size: 331 mb
  • DOWNLOAD

Symphony W25 Stock Rom

  • country: all
  • version: Android 2.3
  • rom size: 218 mb
  • DOWNLOAD
Symphony W30 Stock Rom
  • country: all
  • version: Android 2.3
  • rom size: 253 mb
  • DOWNLOAD
Symphony W31 Stock Rom
  • country: all
  • version: Android 4.2.2
  • rom size: 325 mb
  • DOWNLOAD

Symphony W32 Stock Rom

  • country: all
  • version: Android 4.2.2
  • rom size: 260 mb
  • DOWNLOAD
Symphony W35 Stock Rom
country: all
version: Android 4.1
rom size: 460 mb
DOWNLOAD
Symphony W50 Stock Rom
country: all
version: Android 2.3
rom size: 166 mb
DOWNLOAD
Symphony W60 Stock Rom
country: all
version: Android 4.0.4
rom size: 355 mb
DOWNLOAD
Symphony W65 Stock Rom
country: all
version: Android 4.2.2
rom size: 379 mb
DOWNLOAD
Symphony W65i Stock Rom
country: all
version: Android 4.2.2
rom size: 373 mb
DOWNLOAD
Symphony W68 Stock Rom
country: all
version: Android 4.2.2
rom size: 336 mb
DOWNLOAD
Symphony W68q Stock Rom
country: all
version: Android 4.2.2
rom size: 354 mb
DOWNLOAD
Symphony W69 Stock Rom
country: all
version: Android 4.2.2
rom size: 355 mb
DOWNLOAD
Symphony W69q Stock Rom
country: all
version: Android 4.2.2
rom size: 352 mb
DOWNLOAD
Symphony W70 Stock Rom
country: all
version: Android 4.0
rom size: 473 mb
DOWNLOAD
Symphony W70q Stock Rom
country: all
version: Android 4.3
rom size: 538 mb
DOWNLOAD
Symphony W71 Stock Rom
country: all
version: Android 4.1
rom size: 551 mb
DOWNLOAD
Symphony W71i Stock Rom
country: all
version: Android 4.2.2
rom size: 492 mb
DOWNLOAD
Symphony W72 Stock Rom
country: all
version: Android 4.2.2
rom size: 367 mb
DOWNLOAD
Symphony W80 Stock Rom
country: all
version: Android 4.0
rom size: 577 mb
DOWNLOAD
Symphony W82 Stock Rom
country: all
version: Android 4.2.2
rom size: 389 mb
DOWNLOAD
Symphony W85 Stock Rom
country: all
version: Android 4.2.2
rom size: 837 mb
DOWNLOAD
Symphony W86 Stock Rom
country: all
version: Android 4.2.2
rom size: 456 mb
DOWNLOAD
Symphony W90 Stock Rom
country: all
version: Android 4.1.2
rom size: 483 mb
DOWNLOAD
Symphony W92 Stock Rom
country: all
version: Android 4.2.2
rom size: 565 mb
DOWNLOAD
Symphony W95 Stock Rom
country: all
version: Android 4.4.2
rom size: 1.4 gb
DOWNLOAD
Symphony W100 Stock Rom
country: all
version: Android 4.1.2
rom size: 341 mb
DOWNLOAD
Symphony W125 Stock Rom
country: all
version: Android 4.1
rom size: 739 mb
DOWNLOAD
Symphony W128 Stock Rom
country: all
version: Android 4.2.2
rom size: 538 mb
DOWNLOAD
Symphony W130 Stock Rom
country: all
version: Android 4.4.2
rom size: 720 mb
DOWNLOAD
Symphony W140 Stock Rom
country: all
version: Android 4.2.1
rom size: 766 mb
DOWNLOAD
Symphony W150 Stock Rom
country: all
version: Android 4.2.1
rom size: 761 mb
DOWNLOAD
Symphony W160 Stock Rom
country: all
version: Android 4.4.2
rom size: 793 mb
DOWNLOAD
Symphony Zl Stock Rom
country: all
version: Android 4.2.2
rom size: 1.2 GB
DOWNLOAD
Symphony Zll Stock Rom
country: all
version: Android 4.2.2
rom size: 688 mb
DOWNLOAD
Symphony Zlll Stock Rom
country: all
version: Android 4.2.2
rom size: 1.7 GB
DOWNLOAD
Symphony ZlV Stock Rom
country: all
version: Android 4.4.2
rom size: 916 mb
DOWNLOAD
ভালো থাকবেন আর এই সাইট এর সাথেই থাকবেন।