গ্রাফিক্স ডিজাইনিং লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গ্রাফিক্স ডিজাইনিং লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কিভাবে ইলাস্ট্রেটরের থ্রীডি ইফেক্ট ব্যবহার করে কোকাকোলার প্লাস্টিক আলোকবেদী স্বচ্ছ বোতল ডিজাইন করবেন।

কিভাবে ইলাস্ট্রেটরের থ্রীডি ইফেক্ট ব্যবহার করে কোকাকোলার প্লাস্টিক আলোকবেদী স্বচ্ছ বোতল ডিজাইন করবেন।

কি কি লাগবে।
সফটওয়ার- ইলাস্ট্রেটর সিএস 5 অথবা তার উপর
কম্পিউটার – ভালমানের একটা গ্রাফিক্সকাড সমৃদ্ধ 4-8-16 জিবি রেমের পিসি
ইডোব ইলাস্ট্রের টিউটোরিয়াল জগতে আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম ত্রিমাত্রিক বা থ্রীডি ডিজাইন
বেক্টর ডিজাইনে অনবদ্য অনস্বিকায্য সফটওয়্যার হিসেবে বিশ্বসমা্দৃত এডোবের ইলাস্ট্রেটর সফটি
যার সবশেষ বাসন সিসি যদিও এতে অনেক বাগ আছে এখনো তবে সর্বাবস্থায় জনপ্রিয় র্বাসনগুলোর একটি হল সিএস 5
তারই ইফেক্ট মেনুর অর্ন্তগত 3ডি অপশনটি বিদ্যমান, এ অপশনটির কাযকারিতা পেতে হলে আপনার কম্পিউটারে একটি ভালমানের গ্রাফিক্স ড্রাইবার থাকা আবশ্যক, এবং 8-16 জিবি রেম থাকলে অনেক আরামধায়ক হবে কাজ করতে।
চলুন শুরু করা যাক
ফাইনাল রেজাল্ট ইমেজ প্রিভিউ
উপরোক্ত বোতল ডিজাইনটিই আমরা করব এবং তার উপর কোকা কোলার একটি ডিজাইন করা লেবেল এটি দেব।
প্রথম দাপ (1)
উপরোক্ত ডিজাইনটির মত অথবা তার সমতুল্য যেকোন একটি ভেক্টর লেভেল ডিজাইন করে ফেলুন অথবা নেট থেকে নামিয়ে রাখুন, নিচের লাইন গুলো আলাধা ভাবে গ্রুপ করুন এবং ভেক্টর লেভেল ডিজাইনটি সতন্ত্রভাবে গ্রুপ করুন অবজেক্ট মেনুথেকে অথবা সিলেক্ট করে ctrl+g চাপুন.
পদক্ষেপ দুই (2)
উ্ন্ডো মেনু থেকে সিমবল পেলেটটি ওপেন করুন উপরের দিকে কর্নার আইকনে ক্লিক করে প্রপাটিজ থেকে আইকন ভিউ বড় করে নিন
এক এক করে লেভেলটি এবং লাইন আটওয়াকটি ড্রাগ এন্ড ড্রপ করে সিম্বল প্লেটে রাখুন নাম দিন label and lid.
এখন আপনার দেখতে পাবেন আপনাদের সিম্বল প্লেটে দুইটো ডিজাইন যুক্ত হয়েছে।
পদক্ষেপ তিন (3)
এপ্রর্যায়ে আপনাদের কোকাকোলা বোতলের আকার তৈরি করতে হবে চিত্র অনুযায়ি বানিয়ে ফেলুন অবশ্যেই এলাইনমেন্ট ঠিক রাখবেন
পদক্ষেপ চার (4)
পাথপাইন্ডার প্লেটটি উন্ডো মেনু থেকে নিন লাইন আট গুলো সব সিলেক্ট করে চিত্র উল্লেখিত অপশন দ্বারা পাথ গুলো সংযুক্ত করে নিন যদি এক্সপান্ড অপশনটি না থাকে আপনাদের তবে সমস্যা নেই। অত্:পর আপনাদের বোতলটি হবে নিন্ম চিত্রটির মতন।




পদক্ষেপ পাঁচ (5)
এবার আপনার বতলের উপর মাঝ বরাবর একটা ভার্টিকাল লাইন নিন নিচের মতন করে এবং পাথপাইন্ডার ডিবাইডেড অপশন ব্যবহার করে আলাদা করুন তারপর আনগ্রুপ করুন।
পদক্ষেপ ছয় (6)
প্রথম দ্বাপে এ পর্যায়ে আমরা বোতলের প্রয়োজনীর অংশ গুলো রেখে বাকি গুলো ডিলেট করে দিব
দ্বিতীয় দ্বাপে আবার চিত্র অনুযায়ি কিছু হরিজন্টাল লাইন নিব এবং পাথ পাইন্ডার ব্যবহারকরে আবারও ডিভাইডেড অপশন ব্যবহার করে আনগ্রপ করে অপ্রোয়োজনীয় অংশ ডিলেট করে দিব।
যেসব অশ থাকবে তার কালার চিত্র অনুযায়ী করে নিন.
পদক্ষেপ সাত (7)
কালার করার পর এ পর্যায়ে আমাদের কাজটি অনগ্রুফ অবসত্থায় আছে আমরা তার লাইন গুলোর সব একসাথে গ্রুফ করে নিব
পদক্ষেপ আট (8)
এপর্যায়ে আমরা 3ডি নিয়ে কাজ করব চলুন শুরু করা যাক
আটওয়ার্কটি সিলেক্ট করে ইফেক্ট মেনুর অর্ন্তগত 3ডি > Revolve অপশনটি সিলেক্ট করুন চিত্র অনুযায়ী মানগুলো ঠিকরেখে শুধু Left Edge কে Right Edge করে নিন তাহলেই আপনি আপনার কোকাকোলা বতলটি পেয়ে যাবেন নিমিশেই দেখার জন্য অবশ্যই প্রিভিউ অপশন টিক দিয়ে রাখবেন ওকে করবেন না এখনও এভাবেই থাকুক নবম দ্বাপের জন্য। তবে অবশ্যই কোকাকোলা পান থেকে বিরত থাকুন এবং সুস্থ থাকুন।
পদক্ষেপ নয় (9)
এই পর্যায়ের কাজগুলো খুবই গুরুত্বপুন আপনার মনোযোগ অবশ্যই কাম্য ফলাফল ফেতে হলে, 3ডি Revolve এর ডান পাশে map art নামে একটা মেনু আছে তাতে ক্লিক করুন উপরে দুইটি অপশন দেখতে পাবো একটির নাম Symbol এবং অন্যটির নাম Surface, Symbol মেনুতে আমরা যে কাজ গুলো Symbol প্লেটে রেখেছি তা দেখতে পারব অন্যদিকে Suface মেনুতে আমাদের 3ডি বোতলের প্রতিটি স্থানের অ্ংশগুলো নাম্বার সমৃদ্ধ হয়ে বিদ্যমান থাকে যখনই আপনি এরোগুলো ক্লিক করবেন আপনি প্রিভিউ অপশন সিলেক্ট করে থাকলে দেখতে পাবেন নাম্বার গুলোর মাঝে অবস্থিত অংশগুলো কোন কোন যায়গার বোতলের মাঝে ফুটে উঠবে হালকা ভাবে গ্রিড আকারে ভালভাবে দেখলে বুঝতে পারবেন, না বুঝলে বুঝতে চেষ্টা করুন কয়েকবার ভালকরে লক্ষকরে। এখন Surface অঞ্চল পরিভ্রমন করে দেখুন বোতলের লেবেলের জায়গাটা কত নম্বরে আছে আমার আছে 13 নাম্বারে কোন ভুল না থাকলে তাতেই পাবেন যদি না পান অন্য কোন নাম্বারে যাচাই করুন যদি পেয়ে যান তাহলে Symbol অপশনের ভিতর লেভেলটি সিলেক্ট করুন এবং নিজের দিকে একটা অপশন পাবেন Scale to Fit নামে তাতে ক্লিক করলে আপনার ডিজাইনটি অটো রেশিও অনুসারে বোতলের লেভের অংশে সেটাপ হয়ে যাবে।
এভাবে বোতলের চিপির চার পাশটাও কত নাম্বারে আছে দেখে নিন পেয়ে গেলে Symbol থেকে Lid নামের যে ডিজাইনটি আছে তা সিলেক্ট করে যথাযথ না হওয়া পযর্ন্ত সেটিং করে নিন।বাস 3ডি Revolve এর কাজ আপাতত শেষ ওকে করে বেরিয়ে আসুন। নিশ্চই এতক্ষনে চমৎকার একটি 3ডি কোকাকোলার ডিজাইন করা একটি বোতল ফেয়ে গেছেন। না ফেলে পুনরায় চেষ্টা করুন। ইলাস্ট্রেটর আমাদের 3 ডি মেক্সের সামন্য কাজ করার উপায় দিয়েছে. আমরা তাতেই খুশি হয়তো ভবিষ্যতে ইলাস্ট্রের দিয়েই ত্রিমাত্রিক অনেক কাজই অনায়াসে করার ব্যবস্থা করে দিবে।
পদক্ষেপ দশ (10)
যেহেতু এটা একটা প্লাস্টিক বোতল অতএব এটা স্বচ্চ হওয়া বাঞ্চনীয়। চলুন স্বচ্ছ করে নেই যাতে বোতলের এপাশ ওপাশ দেখা যায় আরকি।
আমরা জানি আমাদের এই বোতলে পাঁছটা অংশ আছে যার মানে পাছটা পাথ আছে যাহা আপনি লেয়ার প্লেটের লিয়ার গুলো এক্সপান্ড করে দেখতে পাবেন। ডিরেক্ট সিলেকসন টুল ব্যাবহার করে আমার এখন বোতলের সাদা র্অংশ গুলোর পাথ অংশ দুইটি সেলেক্ট করে নেই তারপর উন্ডো মেনুর অন্তগত Transparent প্লেটটি নেই। অত:পর অপাসিটি থেকে 35-40 সিলেক্ট করুন বাস হয়ে গেল বোতল স্বচ্ছ করার কাজ।
ফাইনাল ভিউ এর কাজটা আপনিই করে নেন। নিচের চিত্রের মতন
বানানে অনেক গুলো ভুল আছে ক্ষমাদৃষ্টিতে দেখবেন
ধন্যবাদ আপনাদের সবাইকে কষ্টকরে টিউটোরিয়ালটি পড়ার জন্য।
Illustrator দিয়ে সাড়াবিশ্বে সাড়া জাগানো ৬টি কাজ।

Illustrator দিয়ে সাড়াবিশ্বে সাড়া জাগানো ৬টি কাজ।

ডিজাইনের জগতে Adobe Illustrator কে বাদ দিয়ে কিছু চিন্তা করার অবকাশ নেই। এই সফটওয়ার ডিজাইনকে নিয়ে গেছে নতুন উচ্চতায়। একজন ডিজাইনার মাত্রই জানেন এই সফটওয়ারের গুরুত্ব। কেন এটা এতো গুরুত্বপূর্ন?এর কারণ হলো- Adobe Illustrator এর টুলগুলো খুব সহজে ব্যবহার করা যায় এবং টুলগুলো দিয়ে অনেক অসাধ্যসাধন করা যায়। আর এই সফটওয়ার দিয়ে বেশি resolution এর কাজগুলো করা যায়। মানে এখানে resolution কোন সমস্যা না। এইসব কারনে এই সফটওয়ার ডিজাইনারদের মন হরণ করেছে। Adobe Illustrator দিয়ে রং, লাইন, স্ট্রক, সেপ, সহজে বানানো ও পরিবর্তন করা যায়। আসুন আমরা জেনে নেই এই সফটওয়ার দিয়ে সাধারণত কি কাজ করা যায়--
১। আইকন বানানোঃ
Adobe Illustrator দিয়ে আইকন বানানো হয়। কেন আমরা আইকন বানাতে Illustrator ব্যবহার করব? অন্য সফটওয়ার দিয়ে কি আইকন বানানো যাবে না? যাবে কিন্তু illustrator যতো সহজে প্রফেশনালভাবে কাজ করা যায় তা অন্য সফটওয়ার দিয়ে মুশকিল। কারণ হলো এর grid system। এর ফলে আইকনের সাইজের কোন সমস্যা হয় না। Grid system দিয়ে কাজটি নিখুতভাবে করা যায়। আর একটি কারন হলো এর Snapping system। এর ফলে আপনার যেকোন সেইপ সহজে করা যায় এবং কাজটি শার্প হয়। আর একটি বিষয় যেটি ছাড়া আইকন ডিজাইন মুশকিল সেটি হলো Align system. Adobe Illustrator এ খুব নিখুতভাবে align করা যায়। আর align হলো আইকন ডিজাইনের ভিত্তি। Adobe Illustrator দিয়ে খুব সহজে রং দেয়া যায়। শুধু সেইপ সিলেক্ট করে রং এপ্লাই করলেই হলো।

২। Shape বানানোঃ
লাইন টুল এবং পেন টুল ব্যবহার করে যেকোন সেইপ আকা যায়। পেন টুল দিয়ে যেকোন সেইপ আকা যায়। প্রথম দিকে পেন টুল ব্যবহারে সমস্যা হলে ও পরবর্তীতে চেষ্টা করলে ঠিক হয়ে যায়।
পেন টুল এমন একটি টুল যা দ্বারা Illustrator এর বেশির ভাগ কাজ করা যায়। Game charater করার ক্ষেত্রে pen tool এর ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।
৩। লেখালেখির ডিজাইনঃ
নিউজপেপার, মেগাজিনের layout করার ক্ষেত্রে illustrator ব্যবহার হয়। কারন এতে statistics লাগে। এছাড়া ছবি গুলো বিভিন্নভাবে বসাতে হয়। Graph, pie chart এগুলো করা খুব সহজ illustrator দিয়ে। যেকোন আকাআকির কাজ করার ক্ষেত্রে illustrator আবশ্যক।
৪। বাস্তবের মতো আকার ক্ষেত্রেঃ
ছবির মতো হুবহু কোন কিছু আকা এর ক্ষেত্রে illustrator এর বিকল্প নাই। Gradient tool এবং mesh tool দিয়ে বাস্তব shading পাওয়া যায়। এগুলোকে vector art বলে। সারাবিশ্বে vector art অনেক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
৫। Cartoon আকাঃ
Cartoon আকার ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম দরকার কালার কন্সেপ্ট। Flat color এ ক্ষেত্রে অনেক কাজে দেয়। pen tool দিয়ে যেকোন ধরনে সেইপ বানানো যায়। Cartoon বানানো ক্ষেতে Pen tool, stroke, shape builder টুল কাজে আসে।
৬। লোগোঃ
বেশির ভাগ লোগো ই ইলাস্ট্রেটর দিয়ে বানানো হয়। কেন? কারণ ইলাস্ট্রেটর এ Unique শেপ বানানো যায় সহজে। আর যেহেতু এটা ভেক্টর তাই যেকোন format এ পরিবর্তন ও করা যায়। Eps format যেকোন প্রিন্ট প্রোডাক্টকে সুন্দর করে উপস্থাপন করতে পারে। লোগো বানানোর সময় কি সবচেয়ে বেশি দরকার? পরিমাপটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। Illustrator এ ভালভাবে পরিমাপ করা যায়। লোগো বানানো ক্ষেত্রে path finder টুল খুব কাজে আসে।

বাংলাই গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার যত রিসোর্স

বাংলাই গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার যত  রিসোর্স

  1. http://www.adobephotoshoptutorial4all.blogspot.in/
  2. http://www.projuktiteam.com/
  3. http://www.projuktirkhela.com/
  4. http://bdgeeks.com/category/%E0%A6%AB%E0%A6%9F%E0%A7%8B%E0%A6%B6%E0%A6%AA/
  5. https://www.youtube.com/playlist?list=PLsv4iUgyA4ipZO5dE0bOh7ShkGSrZ511a
  6. http://www.chobirdokan.com/
  7. http://www.techtunes.com.bd/category/adobe-photoshop
  8. http://rrfoundation.net/category/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A7%8B%E0%A6%AC-%E0%A6%AB%E0%A6%9F%E0%A7%8B%E0%A6%B8%E0%A6%AA-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%95
  9. http://www.tunerpage.com/photoshop-tutorial/ 
  10. https://www.youtube.com/watch?v=67sObAqT0v4 
  11. https://www.youtube.com/watch?v=_uc4h7SB4pY
  12. https://www.youtube.com/playlist?list=PL0BgiG4bfDwp_xsVoErJoi6nQ8yLY6KZw
বাংলায় গ্রাফিক্স  ডিজাইন এর আরও রিসোর্স  থাকতে পারে ।গুগল  অথবা ইউটিউব  সার্চ  করলে পেতে পারেন।
আমি যতটুকু জানি আপনাদের সাতে তা শেয়ার করলাম।
মাইক্রোসফটের ই-মেইল সেবা Outlook.com এ আসলো নতুন অনেক ফিচার/পরিবর্তন (ব্যবহারকারী বান্ধব)

মাইক্রোসফটের ই-মেইল সেবা Outlook.com এ আসলো নতুন অনেক ফিচার/পরিবর্তন (ব্যবহারকারী বান্ধব)

ইক্রোসফটের Outlook.com তাদের সেবাই অনেক নতুন ফিচার যোগ করছে।
তার মধ্যে অন্যতম email অরগানাইজ করা, UNDO অপশন যোগ করা, Inline reply এবং Chat এ উন্নতি সাধন।

Outlook.com কে পূর্বে Hotmail নামে পরিচিত ছিল।
  • Outlook.com সবথেকে বড় পরিবর্তন আসছে inbox এ। আপনি এখন inbox message অরগানাইজ করতে পারবেন।
কোনটা Unread বুঝতে পারবেন।
নিচের ছবিতে দেখুন কীভাবে inbox অরগানাইজ করতে পারবেন তার রুল।




Chat অপশনে আসছে অনেক বেশি পরিবর্তন। এখন Facebook, Skype, messenger থেকেও আপনাকে ম্যাসেজ করতে পারবে।


  • তাছাড়া নতুন reply বাটন আসছে।
  • Ctrl+Z দ্বারা Undo করতে পারবেন।
  •  
  • প্রতিনিয়ত মাইক্রোসফট ব্যবহারকারীদের চাহিদা মেটাতে অনেক নতুন ফিচার আনছে outlook.com এ।
  •  
  • আমার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ সবাইকে।
আপনার কম্পিউটারের প্রসেসরের নামপরিবর্তন করে ফেলুন

আপনার কম্পিউটারের প্রসেসরের নামপরিবর্তন করে ফেলুন

আপনার কম্পিউটারের প্রসেসরের নামপরিবর্তন করে ফেলুন
ধরুন আপনার প্রসেসর হচ্ছে পেন্টিয়াম ৪
আপনি চাইলে আপনার কম্পিউটারে পেন্টিয়াম
৪ জায়গায় core i7 শো করাতে পারবেন আর

এই কাজটি করতে হলে আপনাকে যা করতে হবে
START>RUN>TYPE REGEDIT>HKEY_
LOCAL_ MACHINE>HARDWARE>DISCRIPTION>SYSTEM>CENTRAL
PROCESSOR> এখন ডান দিকে দেখুন
PROCESSOR NAMESTRING
লেখা এখানে ক্লিক করুন এখন আপনার নিজের
মত নাম দিন পেন্টিয়াম ৪ কে কোর আই৭
বা আপনার পছন্দের নাম টি দিয়ে ওকে করুন। ব্যাস কাজ শেষ এবার My Computer রাইট
বাটন ক্লিক করে প্রপার্টিজে গিয়ে দেখুন
আপনি যেই নামটি দেখেছেন তা শো করছে।